1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পৌঁছে দিলেন বিশেষ দূত, দোহায় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ছুটি কাটিয়ে রাজধানীমুখী কর্মব্যস্ত মানুষ, ট্রেন-বাস স্টেশনে ভিড় অপশক্তিকে পরাজিত করে স্বাধীনতার শক্তিকেই এগিয়ে নিতে হবে : মির্জা ফখরুল আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার গণতন্ত্রায়ণ প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র : প্রধানমন্ত্রী  নাঙ্গলকোটে মানবিক সংগঠন প্রত্যয়ের ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত একটি বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা মূলক বই “জ্ঞানের জগৎ” ৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী

অপশক্তিকে পরাজিত করে স্বাধীনতার শক্তিকেই এগিয়ে নিতে হবে : মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

অপশক্তির বিরুদ্ধে স্বাধীনতার শক্তিকেই এগিয়ে নেয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেছেন, ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা সেইদিন আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটিয়েছে, পাকিস্তান বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। 

আমাদেরকে ভালো করে সতর্কতার সঙ্গে সেই অপশক্তিকে পরাজিত করে স্বাধীনতার শক্তিকেই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেখানেই আমাদের সাফল্য।’

আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সবাই খুব আশাবাদী আমরা সবাই আমাদের নেতা তারেক রহমানের উপরে প্রচন্ড রকমের আশাবাদী। তিনি আসার পরেই মানুষের মধ্যে একটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন, আশা জাগিয়ে চলেছেন। দেশে এসেই তিনি বললেন-‘ আই হ্যাভ এ প্ল্যান।’

তিনি বলেন, “আমাদের নেতা প্রতিশোধের কথা বললেন না, প্রতিহিংসার কথা বললেন না। বললেন যে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান।’ আমি একটা পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি দেশটাকে গড়বার।

নির্বাচনের পুরো সময়টা এই প্রচারণা আমরা করেছি আর নির্বাচনের পরে পরেই তিনি প্রথমে সেই কাজে হাত দিয়েছেন- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ, খাল খনন কাজ শুরু হয়ে গেছে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেরকম একটা কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে মাত্র সাড়ে তিন বছরে তিনি গোটা বাংলাদেশকে সেই বোটমলেস বাস্কেট থেকে একটা একটা সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তারই যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজকে আমাদেরকে সেই পথ দেখাচ্ছেন।’

সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সকল অপশক্তিকে পরাজিত করে আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের হাত শক্তিশালী করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই। অতীতচারিতা ভুলে গিয়ে আমরা শুধু অর্জন করি আমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ, আমাদের সন্তানদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে দাঁড়াতে পারে সেই কথা আমরা বলতে চাই।’

কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতার উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়’। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এ দেশের মানুষ ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে রক্ত দিয়ে লড়াই করেছে এবং লড়াই করেই টিকে থাকবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর বহু নির্যাতন সহ্য করেছি, আমাদের সমস্ত জীবনটাকে ১৮ বছর ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে, তছনছ করে ফেলা হয়েছে। এখানে আমি সামনে যাদের দেখতে পাচ্ছি আমার সহকর্মীবৃন্দ প্রত্যেকেই ভয়াবহভাবে নির্যাতিত নিগৃহীত। আমাদের ৬০ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। ইলিয়াস আলীসহ তিনজন নেতা, ১৭শ নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। তারপরও কিন্তু আমরা আমাদের দেশনেত্রীকে (বেগম খালেদা জিয়া) লক্ষ্য রেখে মাথা নত করিনি। করেছি কখনো? লড়াই চালিয়ে গেছি।’

আলোচনার সঞ্চালক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহাসচিবকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলে সম্বোধন করার প্রসঙ্গটি তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মহাসচিব পরিচয় থেকে স্থানীয় সরকার- ওমুক মন্ত্রী-টন্ত্রী বললে মনে হয় যে, একটু দূরে চলে যাওয়া হচ্ছে। যাই হোক আমরা সবসময় আছি, কাছেই আছি, দলের সঙ্গেই আছি এবং আমৃত্যু দলের সঙ্গে থাকবো বলে আমরা বিশ্বাস করি।’  

আলোচনা সভার শুরুতে দলের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun