1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন

খুবির ১৫ শিক্ষার্থীর ডিন’স অ্যাওয়ার্ড লাভ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

মেধা ও অ্যাকাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)’র বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলভুক্ত আটটি ডিসিপ্লিনের ১৫ জন শিক্ষার্থী ডিন’স অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। 

গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত এসব শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়। 

খুবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।  

২০২৫ সালে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের কানিজ ফাতিমা খুশি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৬), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের সুমাইয়া জান্নাতি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩), ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের ফাতিমা রহমান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৭), গণিত ডিসিপ্লিনের সোনালি তরফদার (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩), পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের মো. সাজ্জাদ হোসেন ইমন (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), রসায়ন ডিসিপ্লিনের শ্রেয়সী কুন্ডু (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৫) এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের ওয়াসিম সামি খান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩)।

২০২৬ সালে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তরা হলেন, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সুরেশ বিশ্বকর্মা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৪), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের সুস্মিতা বিশ্বাস (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের শোভন দাস (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮১), ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের আরিফুল ইসলাম (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৩), গণিত ডিসিপ্লিনের মো. আনিসুর রহমান পলাশ (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৪), পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের উপেন্দ্র সেন চাকমা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৪), রসায়ন ডিসিপ্লিনের মাহফুজা ইসলাম (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৭) এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের মো. সৌরভ হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯২)।

এ বছর ডিন’স অ্যাওয়ার্ডের একটি বিশেষ দিক হলো, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের নেপালি শিক্ষার্থী সুরেশ বিশ্বকর্মা এ সম্মাননা অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক সাফল্যের ক্ষেত্রে এটি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

খুবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও গর্বিত হন। ভবিষ্যৎ জীবনেও এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। অ্যাকাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি গবেষণায় সম্পৃক্ত হলে তার ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ অর্জনের জন্য মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপাচার্য বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাধর্মী ও ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে এবং কোলাবোরেটিভ ও মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের থিসিস ও গবেষণার আউটকাম শোকেসিংয়ের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে, খুবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান ও জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেন এবং ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত। স্বাগত বক্তৃতা করেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ও দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ড. মো. আশিক উর রহমান। বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল আলম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের কানিজ ফাতিমা খুশি ও গণিত ডিসিপ্লিনের মো. আনিসুর রহমান পলাশ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক সুমাইয়া নাজ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun