1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রামের আমজাদের সংগ্রহে ২২টি গ্রামোফোন ও পাঁচ হাজার গানের রেকর্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার: এক নজরে সব অর্জন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ: নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি রংপুরের মাছুয়াপাড়ার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত ও ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন জামালপুরে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ১৫ নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা শত শত শ্রমিক, উদ্ধার অভিযানে চ্যালেঞ্জ পাবনা জেলা জাসাস আহ্বায়কের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ বিএনপির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন লিওনেল মেসি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিরসনে একমত কাতার ও তুরস্ক, জোরদার হচ্ছে কূটনৈতিক তৎপরতা

শিশু রামিসা হত্যা আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার: আসামি সোহেল রানা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানি শুরু হবে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় চার্জগঠনের শুনানির জন্য কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। পরে বেলা ১১টার পর উভয়কে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হয়।

এ সময় আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি একা দোষী না, আমার স্ত্রীর দোষ নেই। সব দোষ ডলারের। আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার।’

ডলার দুই লাখ টাকা দিছে। সোহেল রানা এ সময় তার ডিএনএ টেস্ট না নিয়ে অটোমেটিক লেখা হয়েছে বলেন। নতুন নাম আসা ডলারের পরিচয় জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, ‘মিরপুর ১১ নম্বর বাড়ির অনেক টাকাওয়ালা।’

সকাল পৌনে ৮টার দিকে দুই আসামিকে কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিয়ে আসে পুলিশ।

এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধে সহায়তার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার দিনই মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে বদলি করা হয় এবং আদালত সোমবার চার্জ গঠনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

এর মাধ্যমে মামলার প্রাথমিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, অভিযোগপত্র দাখিল এবং তা আদালতে আমলে নেওয়ার প্রধান চারটি ধাপ শেষ হয়েছে।

দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে মামলার রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘মামলাটি যেন দ্রুত শেষ হয়, সে বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবো। বাকি সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনাল নিবেন।’ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্রুত বিচারের আশ্বাসের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে কথা বলছি না। শুধুমাত্র এ মামলায় নিজের প্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবো।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার পরিবার ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমে বালতির ভেতর তার কাটা মাথা উদ্ধার করে। ঘটনার পরপরই জানালার গ্রিল কেটে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে আসামিরা ইতোমধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun