1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঈশ্বরদীর ২ মেধাবী শিক্ষার্থী গ্লোবাল এটমিক কুইজ জিতে রাশিয়া যাচ্ছেন রাজশাহী প্রেসক্লাবকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে জরুরি সভা, প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে আইনগত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনলাইনভিত্তিক ওয়ান-স্টপ সেবা চালুর উদ্যোগ জোরদার হচ্ছে : বাণিজ্যমন্ত্রী কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ১১ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার : মন্ত্রী জাতীয় সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কার্যক্রম শুরু জাতীয় স্বার্থে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ : পানি সম্পদ মন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ বিআইপিএস পরিচালনা বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠনে বোর্ড সভা আহ্বানের সিদ্ধান্ত ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২০

জাতীয় স্বার্থে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ : পানি সম্পদ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জাতীয় স্বার্থে এবং দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবায়নযোগ্য।

তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

আজ সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. নূরুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পানি সম্পদ মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নতুন কোনো ধারণা নয়। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে ব্যারেজ নির্মাণের উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে চারটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে ২০০২ সালে ওয়াটার রিসোর্সেস প্ল্যানিং অর্গানাইজেশন (ওয়ারপো) পরিচালিত প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় কুষ্টিয়ার ঠাকুরবাড়ি এবং রাজবাড়ীর পাংশা এলাকাকে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে সুপারিশ করা হয়।

তিনি বলেন, প্রকল্পটির ফিজিবিলিটি স্টাডি ২০০৫ সালে অনুমোদিত হয় এবং চারটি দেশীয় ও তিনটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান, পাশাপাশি পাঁচটি দেশীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পরিচালিত এ সমীক্ষা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয়। সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত নকশা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কারিগরি কমিটির পর্যালোচনা ও মতামতের আলোকে তা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের স্যাটেলাইট চিত্র এবং মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত এলাকায় নদীতীরের স্থিতিশীলতা রয়েছে। একই সঙ্গে চর গঠনের ফলে ব্যারেজ নির্মাণের জন্য পরিবেশগত ও প্রযুক্তিগত অবস্থান অনুকূল হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জয়েন্ট রিভার্স কমিশন (জেআরসি) থেকে প্রাপ্ত ১৯৯৭ থেকে ২০২৫ সালের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চরম পরিস্থিতিতেও ব্যারেজ পরিচালনার মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার প্রধান নদী ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব। এসব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করেই জাতীয় স্বার্থে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, পদ্মার মতো বৃহৎ নদীর গতি-প্রকৃতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় হাইড্রো-মরফোলজিক্যাল পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এ কারণে নকশা হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় অভিযোজন নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তারা প্রকল্পের শুরুতেই অনুমোদিত নকশা পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং বাস্তবায়নকালে সার্বক্ষণিক তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পের জটিলতা বিবেচনায় বুয়েটের একজন অবসরপ্রাপ্ত খ্যাতিমান পানি বিশেষজ্ঞের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়েছে। এ প্যানেল প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে।

মন্ত্রী বলেন, এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সব কার্যক্রম স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun