1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের জয় সতর্কবার্তা, ২৭ বছর আগের প্রস্তাব মনে করালেন স্টিভ ওয়াহ নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ চার শতাধিক বিদেশি পর্যটক নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুল: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে রুশ বিমানের অনুপ্রবেশ, সতর্কতায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্ক-কাতারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ৫ বিলিয়ন ডলার, জোর দেওয়া হচ্ছে বিকল্প পথে কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেকে আধুনিক আবাসন প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে ১৬২ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ পাঁচ শতাধিক ইউরোপ ভ্রমণে কেন ওজন কমে আমেরিকানদের? নেপথ্যে কি শুধু খাদ্যাভ্যাস? নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে ১৬২ জনের মৃত্যু: আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে ফিরলেন যুবক নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: আমগাছ আঁকড়ে প্রাণ বাঁচালেন নির্মাণশ্রমিক বিবেক

নেত্রকোণায় তিনদিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলায় আজ থেকে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ফল মেলা ২০২৬’।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা শহরের খামারবাড়িস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাড. নুরুজ্জামান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ থেকে শুরু হওয়া মেলা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এবারের মেলায় মোট ৪৭টি স্টল অংশ নিয়েছে। স্টলগুলোতে স্থানীয় ও দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীদের জন্য প্রায় ১৫০ প্রজাতির দেশি ও বিদেশি ফল এবং বিভিন্ন প্রকারের উন্নত জাতের ফলদ বৃক্ষ প্রদর্শন করা হয়।

মেলায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চেনা-জানা প্রচলিত ফলের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের দুর্লভ ও অপ্রচলিত ফল এবং আম প্রেমীদের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উন্নত ও বৈচিত্র্যময় প্রজাতির আমের বিশেষ প্রদর্শনী করা হচ্ছে। 

মেলা সম্পর্কে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো.আমিরুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, ‘জাতীয় ফল মেলার ধারাবাহিকতায় আমাদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এবারের মেলার একটি বিশেষত্ব হলো, আমরা দেশীয় প্রচলিত এবং অপ্রচলিত জাতের ফলগুলো এখানে সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি; যাতে আমাদের জেলার কৃষকরা ও সাধারণ মানুষ এগুলো দেখতে পারে এবং এগুলোর আবাদ বাড়াতে পারে।’

কৃষির বাণিজ্যিকীকরণের ওপর জোর দিয়ে উপপরিচালক আরও বলেন, ‘আমরা যেহেতু এখন বাণিজ্যিক কৃষির দিকে যাচ্ছি, তাই এখানে বেশ কিছু বিদেশি জাতের আমও প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলোÑ যারা সৌখিন, অগ্রগামী ও উদ্যোক্তা চাষি আছেন, তারা যেন এগুলো দেখে অনুপ্রাণিত হন এবং দেশে এই উন্নত জাতের আমের সম্প্রসারণ ঘটে, যা আমাদের সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।’

ফসল কাটার পরবর্তী অপচয় রোধের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ফল সংগ্রহের পরে নষ্ট হয়ে যায়। এই মেলায় আমরা কৃষকদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি, যা এই অপচয় কমাতে সাহায্য করবে এবং এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বারটান এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোসা. আলতাফ-উন-নাহার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. চন্দন কুমার মহাপাত্র, উপপরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ মুকশেদুল হক, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ ফারুক আহমেদ, জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন খান মিল্কী প্রমুখ। 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun