গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় কৃষক লীগের এক নেতাকে আটকের পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার বিকেলে তাঁকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
গাজীপুরে কৃষক লীগ নেতাকে আটকের পর অর্থের বিনিময়ে মুক্তির অভিযোগ, এসআইয়ের বিরুদ্ধে-শিরোনামে দৈনিক আজকের বসুন্ধরায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। অভিযোগের তদন্তে নামে জিএমপি। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত এসআইকে থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
জিএমপি সূত্র জানায়, গত ২২ জুন রাতে কোনাবাড়ীর প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১নং ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করেন এসআই কামরুল হাসান। পরে তাঁর পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন থেকে মতিন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন।
এ ঘটনায় পুলিশের কাছে মতিন মিয়ার বাড়ি দেখিয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, মতিনের ভাই মোঃ আলম তাঁর দোকানে গিয়ে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু নাসের মোঃ আল আমিন বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে কিছু সত্যতা পাওয়ায় এসআই কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।