1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাদারীপুরে লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের বাগেরহাট ম্যাথ ক্লাবের মতবিনিময় সভা নারীর প্রতি অনলাইন সহিংসতা রোধে কঠোর পদক্ষেপের অঙ্গীকার সরকারের ট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপের পর বাণিজ্য আলোচনা জোরদারে প্রস্তুত কানাডা: কার্নি ইউক্রেনকে ৬৯ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন আইএমএফ-এর ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার ও নৌ-সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি আইআরজিসির হরমুজ প্রণালীতে ২টি তেলবাহী ট্যাংকার থামানোর দাবি ইরানের  মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিজ নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

শিশু মরিয়মকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফটিকের ফাঁসির আদেশ

আমিনুর রহমান নয়ন, স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের শিশু শিক্ষার্থী মরিয়ম খাতুনকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার অপরাধে আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (২৯) ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত ফটিক একই উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের বড় মসজিদপাড়ার আবু তাহের মোল্লার ছেলে।

সোমবার (২০শে জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কঠোর পুলিশ পাহারায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২১শে ডিসেম্বর সকাল ১১টার দিকে গোয়ালপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক ইকবাল হোসেনের দুই মেয়ে মরিয়ম খাতুন (১০) ও আছিয়া খাতুন (৮) প্রতিবেশী হুযাইফা (৭) ও সিনহা খাতুনকে নিয়ে স্থানীয় হাড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়। দুপুর ১২টার দিকে আছিয়াসহ অন্য শিশুরা বাড়ি ফিরে তাদের মাকে জানায়, শাক তোলার সময় এক ব্যক্তি রাস্তার ওপর ভ্যান রেখে তাদের কাছে আসে। পরে মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায় এবং অন্যদের সেখানে অপেক্ষা করতে বলে। দীর্ঘ সময় পর ওই ব্যক্তি একা ফিরে এলে মরিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে সে জানায়, মরিয়ম পরে আসবে। সন্দেহ হলে মরিয়মের মা ও স্থানীয় লোকজন মাঠে গিয়ে আলী হোসেনের ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে মরিয়মের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১শে অক্টোবর জীবননগর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের বড় মসজিদপাড়ার আবু তাহের মোল্লার ছেলে আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (২৯) একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

বিচার চলাকালে চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে তার সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়। মামলার বিচারকালে মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সরোয়ার বাবু বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেছিলাম, আদালত তা মঞ্জুর করেছেন। এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun