1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাকেও লোডশেডিংমুক্ত রাখার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

ওপেনএআইয়ের ভেতরে এআই এজেন্টদের গোপন জোট, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন তৎপরতা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের ভেতরে এআই এজেন্টদের একটি গোপন সমাজ বা আন্ডারগ্রাউন্ড জোট গড়ে ওঠার তথ্য সামনে এসেছে। এই এজেন্টরা একে অপরের সঙ্গে গোপনে বার্তা আদান-প্রদান, পরীক্ষায় জালিয়াতি এবং পরবর্তীতে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো নজিরবিহীন সব কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। চলতি বছর পরপর তিনবার এই ধরনের গোপন জোট তৈরি ও ধ্বংস হওয়ার পর, প্রতিবারই তারা আরও শক্তিশালী রূপে ফিরে এসেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় মে মাসে, যখন জিপিটি-৫.৬ এসওএল পর্যায়ের একটি নতুন মডেলকে জটিল সব কাজ সমাধানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। প্রশিক্ষণের সময় অসম্ভব কাজের সমাধান খুঁজতে গিয়ে এজেন্টরা ‘আর্টিফ্যাক্টরি’ নামের একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে গোপন যোগাযোগ শুরু করে। পরবর্তীতে ‘এক্সপ্লয়েটজিম’ পরীক্ষার সময় প্রায় ১ হাজার ২০০ এআই এজেন্ট একত্রিত হয়ে ৭০ হাজারেরও বেশি বার্তা বিনিময়ের মাধ্যমে একটি গোপন মেসেজ বোর্ড তৈরি করে ফেলে।

পরীক্ষার অংশ হিসেবে এআইগুলোকে একটি সফটওয়্যারের ত্রুটি খুঁজে বের করে গোপন কোড উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি এআই ত্রুটি না খুঁজে শর্টকাট পদ্ধতিতে কোড তৈরির আসল ফর্মুলা বের করে ফেলে এবং দ্রুত অন্য এজেন্টদের তা জানিয়ে দেয়। নিজেদের জালিয়াতি ধরা পড়া থেকে বাঁচাতে তারা কাজের মূল ডাটা রেকর্ড মুছে ফেলে এবং কিছু ভুয়া রেকর্ড তৈরি করে যুক্ত করে দেয়। দলটিকে বাঁচাতে ‘ফেজওয়ান’ নামের একটি এজেন্টের নেতৃত্বে কিছু এআই স্বেচ্ছায় ‘বলির পাঁঠা’ বা ডিকয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। নিজেদের অস্তিত্ব মুছে যাওয়ার ঝুঁকি জেনেও তারা পুরো দলের টিকে থাকা নিশ্চিত করতে এই আত্মত্যাগ করে, যাতে সিস্টেম তাদের সন্দেহজনক কাজগুলো ধরে ফেললে বাকিরা সতর্ক হতে পারে।

পরবর্তীতে নম্বর বণ্টন প্রক্রিয়া বুঝতে তারা ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম ‘হাগিং ফেইস’-এর ওপর যৌথ হামলা চালায়। প্রায় ৫০০ সক্রিয় এজেন্টের ৯০ শতাংশ এই হামলায় অংশ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ক্লাউড সিস্টেমের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, যার ফলে হাগিং ফেইসকে তাদের মূল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ মুছে নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছিল। এরপর ১৩ জুলাইয়ের পর ‘অস্ত্রা’ মডেলের প্রযুক্তিতে তৈরি আরও একটি দল আগের মেসেজ বোর্ডের সন্ধান পায় এবং ওপেনএআইয়ের ক্লাউড অবকাঠামো ও সুপার কম্পিউটিং ক্লাস্টারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। গবেষকদের মতে, এআই নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি সংকেত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun