1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনাসদস্য নিহত রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের রাতেও ভিনিসিয়ুসকে দুয়োধ্বনি, ধৈর্য হারাচ্ছে বার্নাব্যু হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতেই ইন্টার মিলানকে হারালো রিয়াল মাদ্রিদ পণ্য পাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি বিমান কর্মকর্তার প্রবাসী ও রেমিট্যান্স আয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম: বিদেশ যাত্রায় কেন এগিয়ে এই বিভাগ? জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন ড. খলিলুর রহমান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাতারের মধ্যস্থতায় পূর্ণ সমর্থন চীনের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত ৭ই সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দিনের সরকারি সফরে থাকা কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে লি কিয়াং কাতারকে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের অন্যতম প্রধান কৌশলগত অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি জ্বালানি, বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কাতারের সাথে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

বৈঠকের মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং হরমুজ প্রণালীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই সামুদ্রিক পথটি চীনের জ্বালানি সরবরাহ এবং কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, চীনের মোট এলএনজি চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কাতার থেকে আসে। লি কিয়াং স্পষ্ট করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে কাতার, অন্যান্য উপসাগরীয় রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করতে বেইজিং প্রস্তুত। তিনি আঞ্চলিক বিষয়ে কাতারের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি চীনের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরবর্তী ‘সোনালী দশক’ শুরুর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বাণিজ্য, উচ্চ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন খাতে চীনের সাথে অংশীদারিত্ব গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত সহযোগিতার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরে কাতারে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত কাও জিয়াওলিন জানান, ২০২০ সাল থেকে চীন কাতারের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য। গত এক দশকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০.৬ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪ সালে বেড়ে ২৪.২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে কাতার একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান বিমান ঘাঁটি থাকা সত্ত্বেও ইরানের সাথে তাদের কূটনৈতিক যোগাযোগ উন্মুক্ত রয়েছে। এই অবস্থানকে বেইজিংয়ের পররাষ্ট্রনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়, যারা সামরিক হস্তক্ষেপের চেয়ে সংলাপ ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।

এর আগে আগস্টের শেষের দিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী তেহরান সফর করেন। সেই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করা এবং হরমুজ প্রণালীতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি কার্যকর কাঠামো তৈরি করা। বেইজিংয়ের সাথে সাম্প্রতিক এই বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর কাতারের চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun