1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায় দাউদকান্দিতে জিজ্ঞাসাবাদে থানায় ১৭ কিশোরের হট্টগোল প্রেসিডেন্ট সিকে প্রথা ভেঙে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প মিয়ানমারে নারী বন্দিদের ওপর চরম নিরাপত্তা ঘটনায় এইচআরডব্লিউর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে এয়ারবাসের জন্য সমান সুযোগ চান ফরাসি বিদেশগামী কর্মীদের কল্যাণ ফি বাড়িয়ে ৫,৫০০ টাকা নির্ধারণ নতুন তথ্য: ‘আওয়ামীপন্থিদের সরাতে’ বিভাগ-জেলা-উপজেলার সব কমিটি পুনর্গঠনের অনলাইন ও অফলাইনে অবাধে মিলছে উগ্রবাদী জিহাদি বই বিয়ের প্রলোভনে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত অভিযোগ, চবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

মিয়ানমারে নারী বন্দিদের ওপর চরম নিরাপত্তা ঘটনায় এইচআরডব্লিউর

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মিয়ানমারের কারাগারে নারী বন্দিরা ভয়াবহ নিপীড়ন, যৌন সহিংসতা এবং চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির শিকার হচ্ছেন বলে এক উদ্বেগজনক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর।

এইচআরডব্লিউর তথ্যমতে, কারাগারের ভেতরে বন্দি নারীদের ওপর যে ধরনের নির্যাতনের কথা উঠে এসেছে তা রীতিমতো আতঙ্কজনক। বিশেষ করে যৌন সহিংসতা ও শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাদের চিকিৎসাসেবা থেকে পরিকল্পিতভাবে বঞ্চিত করার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কারাগারের ভেতর যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার ফলে অনেক বন্দির মৃত্যুঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। কর্তৃপক্ষের এই অবহেলা ও নির্যাতন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে সংস্থাটি মনে করছে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে। এরপর থেকে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত বহু মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই অস্থিরতায় দেশটির কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা বিপুল হারে বেড়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা আশঙ্কা করছেন, কারাগারের ভেতরে এই অমানবিক পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বন্দিদের স্বাস্থ্য ও জীবন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী বিপর্যয় নেমে আসবে।

এইচআরডব্লিউর এই নতুন প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে সামনে এল যখন আন্তর্জাতিক মহলে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। প্রতিবেদনে পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এ ধরণের অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বা প্রতিকারমূলক পদক্ষেপের কথা শোনা যায়নি। বর্তমানে মিয়ানমারে চলমান এই গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বন্দিদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিউইয়র্ক-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরডাব্লিউ ২৪ সেপ্টেম্বর (বুধবার) এক প্রতিবেদনে এমন অভিযোগ তুলেছে৷ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী৷ তারপর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে৷ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে। 24, 2021, 35. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণে৷ এক প্রতিবেদনে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ) জানিয়েছে, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষকে রাজনৈতিক কারণে আটক করা হয়েছে৷ রাজনৈতিক বন্দিদের মধ্যে নোবেলজয়ী সাবেক নেত্রী অং সান সু চি-সহ ছয় হাজার ৬০০ জনেরও বেশি। 2021, 30, 600, 640. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে আটক নারীরা সেখানকার কারাগার ব্যবস্থার খুব উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছেন৷ বন্দিদের ভোগান্তি ও অবহেলা সেখানে ইচ্ছাকৃত এবং নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা৷” আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি জানিয়েছে, মিয়ানমারে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু বন্দিকে লাঠি, শিকল, ধাতব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিকার হতে হয়েছে বলেও এইচআরডাব্লিউর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ১৭ জন সাবেক নারী বন্দিরসাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে এইচআরডাব্লিউ৷ ১৭ জনের মধ্যে আন্দোলনকারী, সাংবাদিক, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যকর্মী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীসহ নানা শ্রেণি। 17, 2025, 2026. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আইনের একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছিল৷ যেসব আইনে মামলাগুলো করা হয়েছিল তার মধ্যে অভ্যুত্থানের পরে কার্যকর হওয়া এমন একটি আইনও ছিল যা দিয়ে বিরোধী মত ও ভিন্নমত দমন করা হতো৷ এছাড়া সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কঠোর ও ব্যাপক পরিসরের একটি আইনেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্তকারীদের ২০২৫ সালে দেয়া একটি প্রতিবেদনের মিল রয়েছে৷ জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনেও মিয়ানমারের বন্দিশালাগুলোতে নির্যাতনের ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছিল৷ ‘‘মারধর, বৈদ্যুতিক শক, শ্বাসরোধের চেষ্টা, দলবদ্ধ ধর্ষণ, যৌনাঙ্গ পুড়িয়ে দেওয়া এবং অন্য ধরনের যৌন নির্যাতনের কথা। 2025, 18, 35, 74.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun