1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাড্ডা সেন্টার ভাঙচুর: এমপি মিষ্টির সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে সরকার নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা: গ্রেপ্তার মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন পেন্টাগনের শীর্ষ সামরিক পদ ২০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা হেগসেথের ৫০৬ কোটির ভুতুড়ে বিল: জিএমসহ চারজন বরখাস্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি সংস্কারের অভাবে বেহালদশা গাজীপুরের সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর সড়ক,ভোগান্তিতে জনসাধারণ শাহজালালে ছেলেকে বিদায় জানাতে এসে অসুস্থ মা, সেবায় আনসার বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকে বিনিয়োগের আহ্বান বাংলাদেশের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা জাহরা আল মানসুরি মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে ৫০৬ কোটি টাকার বিল

সংস্কারের অভাবে বেহালদশা গাজীপুরের সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর সড়ক,ভোগান্তিতে জনসাধারণ

কাওসার আহমেদ, গাজীপুর।
  • প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংস্কারের অভাবে বেহালদশা গাজীপুরের সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর সড়ক,ভোগান্তিতে জনসাধারণকাওসার আহমেদ, গাজীপুরপ্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর-বটতলা-জয়দেবপুর সড়কটি এখন যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। অনেক জায়গায় উঠে গেছে পিচ ও কার্পেটিং। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পোশাকশ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা বাজার ফুটওভার ব্রিজসংলগ্ন মোড় থেকে বিলাসপুর বটতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কটি গাজীপুর নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট দেখা দিলে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকামুখী অনেক যানবাহন বিকল্প পথ হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করে। পাশাপাশি গাজীপুর শহর, জয়দেবপুর, ধীরাশ্রম, সালনা, মারিয়ালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্ত থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল এবং পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই বড় হয়েছে যে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যাতায়াতে বেশি সময় লাগছে।স্কুলশিক্ষক সালমা আক্তার জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেক মানুষ চলাচল করেন। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।পোশাকশ্রমিক জাফর আলী নূর জানান, প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য তাকে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। অনেক সময় গর্তে পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হয়।অটোরিকশাচালক সাব্বির মিয়া জানান, সড়কের বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। গর্তে পড়ে অটোরিকশার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভেঙে যায়। এতে প্রায়ই গাড়ি মেরামত করতে হয় এবং বাড়তি টাকা খরচ হয়। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হলে চালক ও যাত্রী—দুই পক্ষেরই দুর্ভোগ কমবে।সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শুধু যাত্রীদের দুর্ভোগই বাড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনও। বিশেষ করে অটোরিকশা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রতিনিয়ত গর্ত ও খানাখন্দে পড়ে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। চালকদের অভিযোগ, সড়কের কারণে নিয়মিত গাড়ি মেরামত করতে হচ্ছে। এতে দৈনিক আয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে যানবাহনের পেছনে।স্থানীয় একাধিক চালক জানান, সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন এক পাশ দিয়ে চালাতে হয়। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় গর্তগুলো ঠিকমতো দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।মারিয়ালি এলাকায় জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থাকায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা এসব সেবাপ্রত্যাশীকেও সড়কের দুরবস্থার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সড়কটি শুধু স্থানীয় মানুষের চলাচলের পথ নয়, গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকার মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।তাদের দাবি, শুধু গর্ত ভরাট করে সাময়িক সংস্কার করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং টেকসইভাবে সড়ক সংস্কার করতে হবে।এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল বারেক জানান, সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো সড়কটি আরসিসি ঢালাই করার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার করা হবে। এতে একদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে কমবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।সংস্কারের অভাবে বেহালদশা গাজীপুরের সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর সড়ক,ভোগান্তিতে জনসাধারণকাওসার আহমেদ, গাজীপুরপ্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর-বটতলা-জয়দেবপুর সড়কটি এখন যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। অনেক জায়গায় উঠে গেছে পিচ ও কার্পেটিং। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পোশাকশ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা বাজার ফুটওভার ব্রিজসংলগ্ন মোড় থেকে বিলাসপুর বটতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কটি গাজীপুর নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট দেখা দিলে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকামুখী অনেক যানবাহন বিকল্প পথ হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করে। পাশাপাশি গাজীপুর শহর, জয়দেবপুর, ধীরাশ্রম, সালনা, মারিয়ালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্ত থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল এবং পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই বড় হয়েছে যে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যাতায়াতে বেশি সময় লাগছে।স্কুলশিক্ষক সালমা আক্তার জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেক মানুষ চলাচল করেন। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।পোশাকশ্রমিক জাফর আলী নূর জানান, প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য তাকে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। অনেক সময় গর্তে পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হয়।অটোরিকশাচালক সাব্বির মিয়া জানান, সড়কের বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। গর্তে পড়ে অটোরিকশার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভেঙে যায়। এতে প্রায়ই গাড়ি মেরামত করতে হয় এবং বাড়তি টাকা খরচ হয়। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হলে চালক ও যাত্রী—দুই পক্ষেরই দুর্ভোগ কমবে।সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শুধু যাত্রীদের দুর্ভোগই বাড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনও। বিশেষ করে অটোরিকশা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রতিনিয়ত গর্ত ও খানাখন্দে পড়ে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। চালকদের অভিযোগ, সড়কের কারণে নিয়মিত গাড়ি মেরামত করতে হচ্ছে। এতে দৈনিক আয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে যানবাহনের পেছনে।স্থানীয় একাধিক চালক জানান, সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন এক পাশ দিয়ে চালাতে হয়। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় গর্তগুলো ঠিকমতো দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।মারিয়ালি এলাকায় জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থাকায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা এসব সেবাপ্রত্যাশীকেও সড়কের দুরবস্থার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সড়কটি শুধু স্থানীয় মানুষের চলাচলের পথ নয়, গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকার মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।তাদের দাবি, শুধু গর্ত ভরাট করে সাময়িক সংস্কার করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং টেকসইভাবে সড়ক সংস্কার করতে হবে।এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল বারেক জানান, সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো সড়কটি আরসিসি ঢালাই করার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার করা হবে। এতে একদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে কমবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।সংস্কারের অভাবে বেহালদশা গাজীপুরের সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর সড়ক,ভোগান্তিতে জনসাধারণকাওসার আহমেদ, গাজীপুরপ্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর-বটতলা-জয়দেবপুর সড়কটি এখন যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। অনেক জায়গায় উঠে গেছে পিচ ও কার্পেটিং। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পোশাকশ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা বাজার ফুটওভার ব্রিজসংলগ্ন মোড় থেকে বিলাসপুর বটতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কটি গাজীপুর নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট দেখা দিলে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকামুখী অনেক যানবাহন বিকল্প পথ হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করে। পাশাপাশি গাজীপুর শহর, জয়দেবপুর, ধীরাশ্রম, সালনা, মারিয়ালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্ত থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল এবং পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই বড় হয়েছে যে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যাতায়াতে বেশি সময় লাগছে।স্কুলশিক্ষক সালমা আক্তার জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেক মানুষ চলাচল করেন। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।পোশাকশ্রমিক জাফর আলী নূর জানান, প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য তাকে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। অনেক সময় গর্তে পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হয়।অটোরিকশাচালক সাব্বির মিয়া জানান, সড়কের বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। গর্তে পড়ে অটোরিকশার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভেঙে যায়। এতে প্রায়ই গাড়ি মেরামত করতে হয় এবং বাড়তি টাকা খরচ হয়। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হলে চালক ও যাত্রী—দুই পক্ষেরই দুর্ভোগ কমবে।সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শুধু যাত্রীদের দুর্ভোগই বাড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনও। বিশেষ করে অটোরিকশা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রতিনিয়ত গর্ত ও খানাখন্দে পড়ে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। চালকদের অভিযোগ, সড়কের কারণে নিয়মিত গাড়ি মেরামত করতে হচ্ছে। এতে দৈনিক আয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে যানবাহনের পেছনে।স্থানীয় একাধিক চালক জানান, সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন এক পাশ দিয়ে চালাতে হয়। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় গর্তগুলো ঠিকমতো দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।মারিয়ালি এলাকায় জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থাকায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা এসব সেবাপ্রত্যাশীকেও সড়কের দুরবস্থার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সড়কটি শুধু স্থানীয় মানুষের চলাচলের পথ নয়, গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকার মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।তাদের দাবি, শুধু গর্ত ভরাট করে সাময়িক সংস্কার করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং টেকসইভাবে সড়ক সংস্কার করতে হবে।এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল বারেক জানান, সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো সড়কটি আরসিসি ঢালাই করার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার করা হবে। এতে একদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে কমবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।সংস্কারের অভাবে বেহালদশা গাজীপুরের সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর সড়ক,ভোগান্তিতে জনসাধারণকাওসার আহমেদ, গাজীপুরপ্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর-বটতলা-জয়দেবপুর সড়কটি এখন যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। অনেক জায়গায় উঠে গেছে পিচ ও কার্পেটিং। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পোশাকশ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা বাজার ফুটওভার ব্রিজসংলগ্ন মোড় থেকে বিলাসপুর বটতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কটি গাজীপুর নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট দেখা দিলে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকামুখী অনেক যানবাহন বিকল্প পথ হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করে। পাশাপাশি গাজীপুর শহর, জয়দেবপুর, ধীরাশ্রম, সালনা, মারিয়ালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্ত থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল এবং পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই বড় হয়েছে যে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যাতায়াতে বেশি সময় লাগছে।স্কুলশিক্ষক সালমা আক্তার জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেক মানুষ চলাচল করেন। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।পোশাকশ্রমিক জাফর আলী নূর জানান, প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য তাকে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। অনেক সময় গর্তে পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হয়।অটোরিকশাচালক সাব্বির মিয়া জানান, সড়কের বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। গর্তে পড়ে অটোরিকশার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভেঙে যায়। এতে প্রায়ই গাড়ি মেরামত করতে হয় এবং বাড়তি টাকা খরচ হয়। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হলে চালক ও যাত্রী—দুই পক্ষেরই দুর্ভোগ কমবে।সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শুধু যাত্রীদের দুর্ভোগই বাড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনও। বিশেষ করে অটোরিকশা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রতিনিয়ত গর্ত ও খানাখন্দে পড়ে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। চালকদের অভিযোগ, সড়কের কারণে নিয়মিত গাড়ি মেরামত করতে হচ্ছে। এতে দৈনিক আয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে যানবাহনের পেছনে।স্থানীয় একাধিক চালক জানান, সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন এক পাশ দিয়ে চালাতে হয়। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় গর্তগুলো ঠিকমতো দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।মারিয়ালি এলাকায় জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থাকায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা এসব সেবাপ্রত্যাশীকেও সড়কের দুরবস্থার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সড়কটি শুধু স্থানীয় মানুষের চলাচলের পথ নয়, গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকার মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।তাদের দাবি, শুধু গর্ত ভরাট করে সাময়িক সংস্কার করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং টেকসইভাবে সড়ক সংস্কার করতে হবে।এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল বারেক জানান, সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো সড়কটি আরসিসি ঢালাই করার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার করা হবে। এতে একদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে কমবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সালনা-মারিয়ালি-বিলাসপুর-বটতলা-জয়দেবপুর সড়কটি এখন যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। অনেক জায়গায় উঠে গেছে পিচ ও কার্পেটিং। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পোশাকশ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা বাজার ফুটওভার ব্রিজসংলগ্ন মোড় থেকে বিলাসপুর বটতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কটি গাজীপুর নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট দেখা দিলে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকামুখী অনেক যানবাহন বিকল্প পথ হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করে। পাশাপাশি গাজীপুর শহর, জয়দেবপুর, ধীরাশ্রম, সালনা, মারিয়ালি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্ত থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল এবং পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই বড় হয়েছে যে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যাতায়াতে বেশি সময় লাগছে।স্কুলশিক্ষক সালমা আক্তার জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেক মানুষ চলাচল করেন। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।পোশাকশ্রমিক জাফর আলী নূর জানান, প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য তাকে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। অনেক সময় গর্তে পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হয়।অটোরিকশাচালক সাব্বির মিয়া জানান, সড়কের বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। গর্তে পড়ে অটোরিকশার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভেঙে যায়। এতে প্রায়ই গাড়ি মেরামত করতে হয় এবং বাড়তি টাকা খরচ হয়। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হলে চালক ও যাত্রী—দুই পক্ষেরই দুর্ভোগ কমবে।সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শুধু যাত্রীদের দুর্ভোগই বাড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনও। বিশেষ করে অটোরিকশা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রতিনিয়ত গর্ত ও খানাখন্দে পড়ে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। চালকদের অভিযোগ, সড়কের কারণে নিয়মিত গাড়ি মেরামত করতে হচ্ছে। এতে দৈনিক আয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে যানবাহনের পেছনে।স্থানীয় একাধিক চালক জানান, সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন এক পাশ দিয়ে চালাতে হয়। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় গর্তগুলো ঠিকমতো দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।মারিয়ালি এলাকায় জেলা রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থাকায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা এসব সেবাপ্রত্যাশীকেও সড়কের দুরবস্থার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সড়কটি শুধু স্থানীয় মানুষের চলাচলের পথ নয়, গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকার মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।তাদের দাবি, শুধু গর্ত ভরাট করে সাময়িক সংস্কার করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং টেকসইভাবে সড়ক সংস্কার করতে হবে।এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল বারেক জানান, সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো সড়কটি আরসিসি ঢালাই করার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার করা হবে। এতে একদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে কমবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun