সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রতিটি পরিবারে পাঁচজন সদস্য রয়েছেন এমন হিসেবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বেড়েছে চালের দাম, কারণ জ্বালানি ও ধানের মূল্যবৃদ্ধি, মৌসুমের শেষ। চকবাজারের আগুন ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে, হাসপাতালে ৪ ফায়ার ফাইটার।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে সফল করতে ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী জানান, নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী।
কার্ড কর্মসূচির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন। সেই পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলা ও ৫৫টি উপজেলাসহ সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য যাচাই করা হয়। এর মধ্যে প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা প্রদান করা হয়েছে।
চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে এই কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন পর্যায় শুরু হয়েছে। বর্তমান ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ভাতার পরিমাণ ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পিএমটি পদ্ধতি অনুসরণ করে স্বচ্ছতার সাথে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, একটি সঠিক ও হালনাগাদ ডেটাবেজ তৈরি করা গেলে সরকারি সেবার সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখা সহজ হবে।