1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ: স্পিন সামলানোর প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নতুন পোশাকে সাজছে পিআইএ: ৩১ অক্টোবর থেকে আকাশপথে যাত্রা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইন আসছে, অভিযোগ ছাড়াই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ: আইজিপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিস্তারিত আলোচনা শ্রীপুরে ১২০ ইয়াবাসহ আটক পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজন খুলনায় পৃথক ঘটনায় যুবদল নেতাসহ গুলিবিদ্ধ ২ দিল্লিতে ১ নভেম্বরের জনসভা পেছাতে রাহুল গান্ধীকে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ এআই নিয়ে বিল গেটসের সতর্কবার্তা: আসছে বড় ধরনের অস্থিরতা

কঙ্গোতে হাজার হাজার মানুষকে আটক ও নির্যাতন করেছে এম২৩ বিদ্রোহী: এইচআরডব্লিউ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩  সশস্ত্র গোষ্ঠী হাজার হাজার মানুষকে তাদের বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করেছে। এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধবন্দীদের অমানবিক অবস্থায় আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সংস্থাটি বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর থেকে সরকার বিরোধী এই গোষ্ঠী পূর্বাঞ্চলে বিশাল এলাকা দখল করেছে। এখানে গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংঘাত চলছে।

সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে বলেছে, গোমা ও বুকাভু শহর দখলের পর এম২৩ তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ‘ব্যাপকভাবে জোরপূর্বক তাদের বাহিনীতে নিয়োগ ও অন্যান্য অভিযান’ চালিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা কঙ্গোর হাজার হাজার সেনা ও মিলিশিয়া সদস্যকে আটক করার পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদেরকেও আটক করছে এবং তাদের অমানবিক ও প্রাণঘাতী অবস্থায় রেখেছে।  

এইচআরডব্লিউ জানায়, এই প্রতিবেদনটি ১০২ জন সাবেক বন্দি ও আরও বহু সূত্রের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক বন্দিরা জানান, মানুষকে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, সভা, গির্জা ও স্কুল থেকে অপহরণ করে অস্থায়ী আটককেন্দ্র, সামরিক ক্যাম্প বা অজ্ঞাত স্থানে রাখা হতো।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু বন্দির মধ্যে ১২ বছর বয়সী শিশুও ছিল। যাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা সামরিক ক্যাম্পে পাঠানো হতো এবং সেখানে সপ্তাহ বা মাসব্যাপী অমানবিক অবস্থায় রাখা হতো। এ সময় তাদেরকে মারধর ও নির্মম নির্যাতন করা হতো। 

এমনকি এদেরকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হতো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এইচআরডব্লিউ আরও জানায়, এম২৩ যোদ্ধা ও রুয়ান্ডার সেনারা হাজার হাজার মানুষকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাদের দলে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দিদের মারধর, ভয়াবহ অত্যাচার করা হতো। এ সময় তাদেরকে পানি বা খাবার দেওয়া হতো না এবং এ কারণে অনাহারে ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অনেকের মৃত্যুও ঘটেছে।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, এ সব ক্যাম্পে মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হবে কেবল তখনই, যখন সবগুলো গণকবর পুরোপুরি উন্মোচিত হবে। 

তবে সাবেক বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালে শত শত, সম্ভবত তারও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০২৬ সালেও এসব ক্যাম্প কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাবেক বন্দিরা জানিয়েছেন, তারা ক্যাম্পগুলোতে উচ্চপদস্থ এম২৩ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও আশপাশে রুয়ান্ডার সামরিক ইউনিটগুলোর অবস্থান শনাক্ত করেছেন।গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩  সশস্ত্র গোষ্ঠী হাজার হাজার মানুষকে তাদের বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করেছে। এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধবন্দীদের অমানবিক অবস্থায় আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সংস্থাটি বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর থেকে সরকার বিরোধী এই গোষ্ঠী পূর্বাঞ্চলে বিশাল এলাকা দখল করেছে। এখানে গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংঘাত চলছে।

সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে বলেছে, গোমা ও বুকাভু শহর দখলের পর এম২৩ তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ‘ব্যাপকভাবে জোরপূর্বক তাদের বাহিনীতে নিয়োগ ও অন্যান্য অভিযান’ চালিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা কঙ্গোর হাজার হাজার সেনা ও মিলিশিয়া সদস্যকে আটক করার পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদেরকেও আটক করছে এবং তাদের অমানবিক ও প্রাণঘাতী অবস্থায় রেখেছে।  

এইচআরডব্লিউ জানায়, এই প্রতিবেদনটি ১০২ জন সাবেক বন্দি ও আরও বহু সূত্রের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক বন্দিরা জানান, মানুষকে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, সভা, গির্জা ও স্কুল থেকে অপহরণ করে অস্থায়ী আটককেন্দ্র, সামরিক ক্যাম্প বা অজ্ঞাত স্থানে রাখা হতো।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু বন্দির মধ্যে ১২ বছর বয়সী শিশুও ছিল। যাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা সামরিক ক্যাম্পে পাঠানো হতো এবং সেখানে সপ্তাহ বা মাসব্যাপী অমানবিক অবস্থায় রাখা হতো। এ সময় তাদেরকে মারধর ও নির্মম নির্যাতন করা হতো। 

এমনকি এদেরকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হতো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এইচআরডব্লিউ আরও জানায়, এম২৩ যোদ্ধা ও রুয়ান্ডার সেনারা হাজার হাজার মানুষকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাদের দলে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দিদের মারধর, ভয়াবহ অত্যাচার করা হতো। এ সময় তাদেরকে পানি বা খাবার দেওয়া হতো না এবং এ কারণে অনাহারে ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অনেকের মৃত্যুও ঘটেছে।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, এ সব ক্যাম্পে মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হবে কেবল তখনই, যখন সবগুলো গণকবর পুরোপুরি উন্মোচিত হবে। 

তবে সাবেক বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালে শত শত, সম্ভবত তারও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০২৬ সালেও এসব ক্যাম্প কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাবেক বন্দিরা জানিয়েছেন, তারা ক্যাম্পগুলোতে উচ্চপদস্থ এম২৩ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও আশপাশে রুয়ান্ডার সামরিক ইউনিটগুলোর অবস্থান শনাক্ত করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun