1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ চার শতাধিক বিদেশি পর্যটক নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুল: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে রুশ বিমানের অনুপ্রবেশ, সতর্কতায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্ক-কাতারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ৫ বিলিয়ন ডলার, জোর দেওয়া হচ্ছে বিকল্প পথে কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেকে আধুনিক আবাসন প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে ১৬২ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ পাঁচ শতাধিক ইউরোপ ভ্রমণে কেন ওজন কমে আমেরিকানদের? নেপথ্যে কি শুধু খাদ্যাভ্যাস? নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে ১৬২ জনের মৃত্যু: আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে ফিরলেন যুবক নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: আমগাছ আঁকড়ে প্রাণ বাঁচালেন নির্মাণশ্রমিক বিবেক সবুজবাগে তরুণী নিহতের ঘটনায় আদালতে দুই আসামির স্বীকারোক্তি

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে রুশ বিমানের অনুপ্রবেশ, সতর্কতায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (KADIZ) রাশিয়ার সামরিক বিমানের অনুপ্রবেশের ঘটনায় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে সিউল। মঙ্গলবার দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের জলসীমার ওপর দিয়ে রুশ বিমানগুলো ওই এলাকায় প্রবেশ করলে বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী বিষয়টি নিশ্চিত করে। দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (JCS) জানিয়েছে, রুশ সামরিক বিমানগুলো মূলত সর্বপূর্বের ডোকডো দ্বীপপুঞ্জ এবং উল্লেউং দ্বীপের কাছাকাছি আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল। তবে নির্দিষ্ট সময় পর বিমানগুলো ওই এলাকা ত্যাগ করে।

সামরিক কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, রুশ বিমানগুলো KADIZ-এ প্রবেশের আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার রাডারে সেগুলো শনাক্ত করা হয়। সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠানো হয়, যাতে রুশ বিমানের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, KADIZ কোনো দেশের সার্বভৌম আকাশসীমা নয়, বরং এটি এমন একটি নির্ধারিত এলাকা যেখানে বিদেশি সামরিক বিমান প্রবেশ করলে সম্ভাব্য সংঘাত ও ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে তাদের পরিচয় জানানোর প্রত্যাশা থাকে। ফলে এবারের ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার সার্বভৌম আকাশসীমা লঙ্ঘিত হয়নি।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের সামরিক বিমানগুলো আন্তর্জাতিক আইন ও আকাশসীমার নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়। মস্কোর ভাষ্যমতে, এ ধরনের উড্ডয়ন তাদের নিয়মিত সামরিক কার্যক্রমের অংশ। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য এ ধরনের অনুপ্রবেশ নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল। এর আগে চলতি বছরের জুনের শেষ দিকে প্রায় ১০টি চীনা ও রুশ সামরিক বিমান দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলীয় জলসীমার ওপর দিয়ে KADIZ-এ প্রবেশ করেছিল। ওই ঘটনায় সিউল চীন ও রাশিয়া—উভয় দেশের কাছেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

পূর্ব এশিয়ায় সামরিক তৎপরতা ও আকাশসীমা নজরদারি নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি ঘটল। যদিও এবারের ঘটনায় কোনো আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি, তবুও রুশ সামরিক বিমানের উপস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল সুরক্ষায় সিউল যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun