পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক ও আলোকচিত্রী খালেদ হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের গুরুতর অভিযোগ এনেছেন জেলা বিএনপির স্থানীয় নেতারা। সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ জানান, দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভাবমূর্তি রক্ষায় তাঁরা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খালেদ হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট এই লিখিত অভিযোগটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস সামাদ খান, নূর মোহাম্মদ, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, সদস্যসচিব মাসুদ খন্দকার এবং সদস্য মাহমুদুন্নবী ও মোছাব্বির হোসেন। যদিও সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব উপস্থিত ছিলেন না।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, খালেদ হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হুমকি দিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির নানা অভিযোগ প্রচারিত হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে নেতারা দাবি করেন। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে খালেদ হোসেন উত্তেজিত হয়ে অসদাচরণ করেন।
নিজের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন খালেদ হোসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। খালেদ হোসেনের দাবি, একজন অসাধু ঠিকাদারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সুবিধাভোগী কিছু বিএনপি নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘তারা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারছে না কোথায় আমি জমি দখল করছি, কার কাছে চাঁদা চেয়েছি বা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছি। এটি কোনো দিন প্রমাণ করতে পারবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে নূর মোহাম্মদ বলেন, পাবনা জেলা বিএনপিতে কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে এবং কোনো ব্যক্তিবিশেষের কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষায় তাঁরা খালেদ হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লিখিত সেই অভিযোগের কপি সাংবাদিকদের দেন বিএনপি নেতারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাসাস (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন)। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ নিয়ে প্রতিনিয়ত জনগণের কাছে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন তাঁরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ শৃঙ্খলা তাঁরা নষ্ট হতে দিতে পারেন না।