1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘প্রেমের মানুষ ঘুমাইলে চাইয়া থাকে’ গানের গীতিকার জবান আলী আর নেই ফরাসি বিপ্লব, জিদানের অমরত্ব এবং রোনালদো-রহস্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নয়, জানাল সৌদি আরব-পাকিস্তান বৈরী আবহাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি-লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঈদে আইসক্রিম বিক্রি হতে পারে ৫০০ কোটি টাকার সোনারগাঁয়ের ২৩ গ্রামে ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে আজ রাজধানীর নদ্দায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১ পঞ্চগড়ে পথের ধারে শোভা ছড়াচ্ছে রূপসী বুনো ফুল ল্যান্টানা ভিডিও বানাতে রেস্তোরাঁ থেকে কি টাকা নেন রাফসান দ‍্য ছোট ভাই? ইরান যুদ্ধ কীভাবে ‘লিটল স্পার্টা’র উচ্চাকাঙ্ক্ষা ভেঙে দিল

২৩টি পারমাণবিক বোমার সমান তাপ ছড়াবে, এমন ‘এআই শহর’ তৈরির পরিকল্পনা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

আমেরিকার উটাহ রাজ্যের একটি ছোট্ট, নির্জন উপত্যকায় বিশাল একটি কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা চলছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ট্র্যাটোস প্রজেক্ট’। এটি হবে উটাহের হ্যান্সেল ভ্যালিতে একটি এআই ডেটা ও জ্বালানি ক্যাম্পাস। এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রকল্পের আকার শুনলে অবাক হবেন আপনি। এই ক্যাম্পাসটি প্রায় ৪০ হাজার একর জমির উপর তৈরি হবে। এটি অনেক বড় শহরের চেয়েও বিশাল। কেউ কেউ বলছেন, এটি প্রায় ২ হাজার ওয়ালমার্ট দোকানের সমান। বিদ্যুৎ লাগবে অনেক বেশি। এই প্রকল্পে এআই, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং জাতীয় নিরাপত্তার কাজে ৯ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগবে। উটাহ রাজ্যের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা সাধারণত ৪ থেকে ৫ গিগাওয়াট। অর্থাৎ, এই একটি কেন্দ্রই পুরো রাজ্যের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। এত বিদ্যুৎ জোগান দিতে গিয়ে পরিবেশে কী হবে? উটাহ স্টেট ইউনিভার্সিটির পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক রবার্ট ডেভিস বলেছেন, ‘এই কেন্দ্র প্রতিদিন পরিবেশে ২৩টি পারমাণবিক বোমার সমান তাপশক্তি ছেড়ে দেবে এই উপত্যকায়।’  অধ্যাপক ডেভিস আরও বলছেন, হ্যান্সেল ভ্যালিতে দিনের বেলা তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং রাতে ২৮ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই উপত্যকাটি একটি প্রাকৃতিক ‘বাটির’ মতো। রাতে তাপ এখানে আটকে থাকে। পানি নিয়েও আছে বড় চিন্তা। কিছু হিসাব বলছে, এই প্রকল্পের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় প্রতি বছর কোটি কোটি গ্যালন পানি লাগতে পারে। পানি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রকল্প পরিচালকদের প্রকাশ্য বক্তব্য অনুযায়ী তারা হ্যান্সেল ভ্যালি ও আশপাশ থেকে প্রায় ১৩ হাজার একর-ফুট পানি নেবে। এই পরিমাণ পানি দিয়ে ২০ হাজার পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটানো সম্ভব। স্থানীয় মানুষজন রাগে ফুঁসছেন। সাম্প্রতিক গণ-শুনানিতে প্রতিবাদকারীরা স্লোগান দিয়েছেন — ‘মুনাফার চেয়ে মানুষ বড়’ এবং ‘ডেটা দিয়ে পানির পিপাসা মেটে না।’ প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আয়োজিত প্রতিবাদে এক হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন। একটি জরিপে দেখা গেছে, উটাহের ৫৩ শতাংশ ভোটার এই প্রকল্পের বিপক্ষে। মাত্র ৩০ শতাংশ সমর্থন করছেন। প্রকল্পের সমর্থকরাও কম কথা বলছেন না। বিনিয়োগকারী কেভিন ও’লেরি বলেছেন, এটি একটি বৃহত্তর ‘এআই অস্ত্র প্রতিযোগিতার’ অংশ। তিনি বলেছেন, এই ধরনের বিশাল দেশীয় কম্পিউটিং সক্ষমতা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। উটাহের গভর্নর স্পেন্সার কক্স বলেছেন, প্রকল্পটি ধাপে ধাপে নির্মিত হবে এবং প্রতিটি ধাপ আলাদাভাবে অনুমোদন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun