ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের তিন দিন পর পুকুর থেকে হোসেন মিয়া (৩৭) নামে এক সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে পৌর শহরের টি আলী বাড়ি মোড় এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হোসেন মিয়া কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বিকেলে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় কিছু দেখতে পেয়ে তারা কাছে গিয়ে সেটি মানুষের মরদেহ বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নিহতের স্বজনরা। পরে চেহারা দেখে তারা মরদেহটি হোসেন মিয়ার বলে শনাক্ত করেন। এ সময় স্বজনদের কান্নায় ঘটনাস্থলে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
নিহতের এক স্বজন জানান, গত ২৫ মে নিজ এলাকা চান্দলা থেকে একটি রিজার্ভ যাত্রী নিয়ে কসবা উপজেলার কুটি এলাকায় যান হোসেন মিয়া। এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী মোছা. সালমা বেগম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুকুরে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে আসেন।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, পুকুর থেকে একটি ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।