1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ওয়াসিম আকরামের শিষ্য ইরফান পাঠান এখন পাকিস্তানকে নিয়ে কেন এত সরব? ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ: গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে ১ হাজারে নামাল ১১ দলীয় ঐক্য যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিভ্রান্তি: যা জানা জরুরি সেপ্টেম্বর ২০২৬: কাতারে কনসার্ট, খেলাধুলা ও বর্ণিল উৎসবের জোয়ার সরকারি কর্ম কমিশনের নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন: বিহারের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাকিস্তান দলে ব্যাপক রদবদল: বাবর আজমের পরিস্থিতি নিয়ে রসিকতা পিটারসেনের এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন সার্ফার মান্নান ও ফাতেমা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের জন্য কঠিন হচ্ছে বসবাসের পথ, সংকুচিত হচ্ছে নাগরিকত্বের সুযোগ

শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় কাল

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আগামীকাল (রোববার) ঘোষণা করা হবে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু আজ (শনিবার) বাসস’কে বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিম রামিসাকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ আজ বাসস’কে বলেন, আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ৭ জুন (রোববার) দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।

সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।

এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।

গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun