1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের রাষ্ট্রীয় ভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ : অ্যাটর্নি জেনারেল ৫৮ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি : বাণিজ্য মন্ত্রী  তিস্তার পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে   অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল-২০২৬’ সংসদে উত্থাপন বোনের সম্পদ ও টাকা আত্মসাৎ করতে সময় নেয়নি আমজাদ হোসেন সরকারি ক্রয়ের ভুয়া আদেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩০.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে : মন্ত্রী চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে বর্তমানে ৬৪টি জিআই পণ্য নিবন্ধিত রয়েছে : শিল্পমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র, কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, হস্তশিল্প এবং প্রাণিসম্পদভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য, যা দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটায়।

নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে- জামদানি শাড়ি, বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, বাংলাদেশের কালিজিরা চাল, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শেরপুরের তুলশীমালা চাল, বাংলাদেশের শীতলপাটি, বগুড়ার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম।

এ ছাড়া জিআই পণ্যের তালিকায় রয়েছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মণ্ডা, যশোরের খেজুরের গুড়, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা, রাজশাহীর মিষ্টি পান, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, জামালপুরের নকশিকাঁথা, টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর লটকন, টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই এবং মাগুরার হাজরাপুরি লিচু।

মন্ত্রী আরও জানান, জিআই স্বীকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিলেটের মণিপুরি শাড়ি, সিরাজগঞ্জের গামছা, মিরপুরের কাতান শাড়ি, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা, কুমিল্লার খাদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী, গোপালগঞ্জের কাঁসার গহনা, সুন্দরবনের মধু, শেরপুরের ছানার পায়েশ, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি, গাজীপুরের কাঁঠাল, কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের চিজ, বরিশালের আমড়া, কুমারখালীর বেডশিট, দিনাজপুরের বেদানা লিচু, মুন্সীগঞ্জের পাটক্ষীর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কি সন্দেশ এবং নওগাঁর নাক ফজলি আম।

অন্য জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঢাকাই ফুটি কার্পাসের বীজ ও গাছ, মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা, নেত্রকোনার বালিশগঞ্জ মিষ্টি, ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি, মেহেরপুরের হিমসাগর আম, ফরিদপুরের পাট, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, কালীগঞ্জের গামছা, জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু এবং মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun