1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজধানীসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করলেন ভিসি নওগাঁয় ৮২ শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ৫৫ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার : প্রতিমন্ত্রী টুকু ডেপুটি স্পিকারের সহযোগিতায় শিশুর হৃদরোগের সফল অস্ত্রোপচার জাতিসংঘের নেতৃত্বের দৌড়ে ৬ প্রার্থী ইমনের ব্যর্থতার ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু লাহোরের চীনে ২০৩১ সালের মধ্যে ঋণ দেওয়া বন্ধের পরিকল্পনা বিশ্বব্যাংকের

বিদ্যুৎ খাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে ফ্যাসিস্ট সরকার : বিদ্যুৎ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে। ওই বকেয়া পরিশোধের পাশাপাশি নতুন দায়ও সরকারকে বহন করতে হচ্ছে। ফলে প্রতি মাসে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ বিষয়ক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম।

মন্ত্রী বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে গৃহীত অধিকাংশ প্রকল্পে জনকল্যাণের পরিবর্তে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দায়িত্ব বর্তমান সরকারের ওপর বর্তেছে।

তিনি বলেন, আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে বর্তমান সরকারকে অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে সম্পাদিত বিভিন্ন চুক্তির ফলে সরকারকে তুলনামূলক বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল পরিশোধে বিলম্ব হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা কমাতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়লে জ্বালানি আমদানি ব্যয়ও কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে আরো দক্ষ, টেকসই ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তবে, কোনোভাবেই উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয় বা উৎপাদনের অতিরিক্ত ব্যয় সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

তিনি রুফটপ সোলার ব্যবস্থার সম্প্রসারণে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে কৃষিজমি রক্ষা করে পতিত জমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে উৎপাদিত হচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সরকার তিন মাসের জ্বালানি মজুত সংরক্ষণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মূল শক্তি জনগণ। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বিপুল ঋণের বোঝা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি নাগরিক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun