1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজধানীসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করলেন ভিসি নওগাঁয় ৮২ শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ৫৫ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার : প্রতিমন্ত্রী টুকু ডেপুটি স্পিকারের সহযোগিতায় শিশুর হৃদরোগের সফল অস্ত্রোপচার জাতিসংঘের নেতৃত্বের দৌড়ে ৬ প্রার্থী ইমনের ব্যর্থতার ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু লাহোরের চীনে ২০৩১ সালের মধ্যে ঋণ দেওয়া বন্ধের পরিকল্পনা বিশ্বব্যাংকের

রাজধানীসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট

মোঃ হাফিজুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন—বিপাকে জনজীবন ও অর্থনীতি

প্রায় সপ্তাহ খানিক হলো রাজধানীসহ দেশের কিছু কিছু অংশ ও ঢাকার পার্শবতি জেলাসুমহে হঠাৎ করে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, রাজধানীর বেশির ভাগ সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন ধরে গ্যাস নিতে হয় এবং গ্যাসের পেশার নরমালি ১৮০-২০০ থাকে যেটি বর্তমানে ১৪০-১৫০ নেমে গেছে, এদিকে ভুক্তভোগীগন বলছেন গ্যাসের মুল্য বৃদ্ধি হতে পারে অথবা গ্যাসের লাইন ত্রুটির জন্য এই ভুগান্তি হচ্ছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন, সেই সাথে বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ ও শিল্প কারখানা।

অন্য দিকে টেক্সটাইল শিল্প ও বস্ত্রশিল্প কারাখানা গুলো গ্যাসের সমস্যা নতুন কিছু নয়,এ সমস্যার সমাধান এর জন্য গত দুই আগে ২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় দেশের বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

অন্যদিকে কিছু কারখানার শ্রমিক ও কর্মচারীসহ বিভিন্ন মহলে উঠে আসে, অসহায় আবেগ ঘনা নিরবে আর্তনাদ উঠে আসে বিভিন্ন ফেসবুক পোস্ট – নরসিংদীর টেক্সটাইল শিল্প কি ধীরে ধীরে কবরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?
নরসিংদীর টেক্সটাইল শিল্প আজ দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছে। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অনেক কারখানা সক্ষমতার অনেক নিচে চলেগেছে , কোথাও কোথাও কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এই সংকট শুধু কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ এবং দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। শিল্পখাতের সংগঠনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ও বিনিয়োগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়ে আসছে।

তীব্র গ্যাস সংকটে সারা দেশ। শত শত শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কোথাও কোথাও বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাসের অভাবে রাজধানী ঢাকার প্রায় অর্ধেক এলাকায় চুলা জ্বলছে না।
সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো, এই সংকট নিয়ে জাতীয় সমস্যার সমাধানে দৃশ্যমান উদ্যোগ বা কার্যকর আলোচনাও খুব কমই দেখা যাচ্ছে।
একটি শিল্পাঞ্চল যখন ধীরে ধীরে সংকটে নিমজ্জিত হয়, তখন সেটি কেবল একটি জেলার সমস্যা থাকেনা,সেটি জাতীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি সক্ষমতার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

এখনই সময় এই সংকটকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনায় আনা, বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং নরসিংদীরসহ কাঁচপুরের কারখানা ও টেক্সটাইল শিল্পকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। নীরবতা কখনো কোনো সংকটের সমাধান নয়।

এদিকে তীব্র গ্যাস সংকটে সারা দেশ। শত শত শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কোথাও কোথাও বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাসের অভাবে রাজধানী ঢাকার প্রায় অনেক এলাকায় চুলা জ্বলছে না। কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগায় দৈনিক ৪৫ থেকে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। টার্মিনালটি চালু না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট কাটবে না। এমনতিইে গ্যাস সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল দেশ। তার ওপর একটি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার আগুনে টার্মিনালের বয়লারের বেশ ক্ষতি হয়েছে। ওইদিনই এটি বন্ধ হয়ে যায়। এটি কবে চালু হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন কোম্পানি এক্সিলেরেট। পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, আজ সকালে এটি চালু হবে কি না, তা এক্সিলেরেট জানাতে পারেনি। এমনকি কবে চালু হবে, তাও নিশ্চিত করতে পারেনি। তাই সামনে গ্যাস নিয়ে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। একজন কর্মকর্তা জানান, এক্সিলেরেট তাদের হিউস্টনে অবস্থিত হেড অফিসে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করছে। যাতে সহজে টার্মিনালটি মেরামত করে চালু করা যায়। চালু থাকলে প্রতিদিন এই টার্মিনালকে ২ লাখ ২৮ হাজার ডলার চার্জ দেয় সরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun