নাছিমা আক্তার দীর্ঘ ৭ বছর প্রবাসী জীবন কাটিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর থানার মুলাচক্কর মহানগর স্কুলের পিছনে নিজের ক্রয়কৃত ৫ শতাংশ জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে বীগত ২ বছর যাবৎ শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছে।
নাছিমা আক্তার অভিযোগ করে বেশ কিছু দিন যাবৎ অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি মুখে মাক্স পরিধান করে এসে তার কাছে টাকা দাবি করে অন্যথায় বাড়ি দখল করা ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
নাছিমা আক্তার ভয়ভীতি পেয়ে তার ভাই বোনদের সাথে পরামর্শ করলে সেখান থেকে জানতে পারে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের ১জনের নিকট হইতে তার ভাই বোন ১,৯০,০০০ ( এক লক্ষ নব্বই হাজার ) টাকা ধার নেয় যার সুদ সহ তার কাছে ১০,০০,০০০
( দশ লক্ষ ) টাকা দাবি জানায়।
দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটানোর সময় বাড়িটিতে নাছিমা আক্তারের ভাই ও বোন বসবাস করতো, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা টাকা উৎত্তলনের সহজ উপায় খুঁজতে নাছিমা আক্তারকে টার্গেট করে, তিনি জানায় আমি দেশে আসার পর আমার ভাই ও বোন আমার বসতবাড়ী ত্যাগ করে অন্য স্হানে বসবাস করে তাদের টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমি অবগত নই কিন্তু আমাকে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যাদের আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা এবং টাকা পরিষদ না করিলে আমার বসত বাড়ী দখল ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে ।
আমি এই বাড়িটিতে একা বসবাস করি তাই আমার জীবনের নিরাপত্তা ও অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হাত থেকে রক্ষা পেতে কাশিমপুর থানায় অভিযোগ করি।
এ বিষয়ে প্রতিবেশীদের সাথে আলাপ করে জানা যায় নাছিমা আক্তার এলাকাবাসী ও দূরবর্তী কারো নিকট কোন ধরনের আর্থিক লেনাদেনার সাথে জড়িত নন তবে এই বাড়িটিতে তিনি একা বসবাস করে তার নিরাপত্তা জরুরি।
কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান নাছিমা আক্তারের অভিযোগ গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নাগরিক হিসেবে পূর্ণ আইনি সহযোগিতা পাবে।