এমন অভিযোগ করলেন ভুক্তভোগী রমজান আলী সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রউফ খানের বিরুদ্ধে।
গাজীপুর কাশিমপুর থানার ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব এনায়েতপুর এলাকার মৃত আবেদ আলীর সন্তান রমজান আলী পেশায় একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ।
ভুক্তভোগী রমজান আলী অভিযোগ করেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রউফ খান এবং উল্লেখ্যিত থানায় অভিযোগকৃত নামের ব্যক্তিরা ও অজ্ঞাত ৬০/৭০ জন আমার ও সেলিম রেজার
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির জমিটি যা ১৭.৫০ শতাংশ গবিন্দবাড়ী মৌজার এস এ খতিয়ান নং ১৫ আর এস – ৪৩৩ এস এ দাগ নং ৭৯২ ও আর এস দাগ নং ২৬৪৯ দাগে ১৬.৫০ শতাংশ এবং ২৬৫০ নং দাগে এক শতাংশ মোট ১৭.৫০ শতাংশ জমি আশরাফ উন নেছা এর কাছ থেকে জয়দেবপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অপ্রত্যাহার যোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল নং ১৩৯৬৫ তাং ২৯/১~/২৫ খ্রিঃ মূলে আমি এবং সেলিম রেজা যৌথ মালিকানা লাভ করে জমিতে ৭ ফুট উঁচু ওয়াল নির্মাণ ও প্রবেশ গেইট তৈরি করে শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছি।
জমিটি পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগকৃত ১ থেকে ১০ নং বিবাদীরা ৪০,০০,০০০ ( চল্লিশ লক্ষ ) টাকা দাবি করে আসছে, টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিবাদীরা আমাদের এই বলে হুকমি দেয় জমির বাউন্ডারি ভেঙে দিবে এবং জোর পূর্বক দখল করবে, টাকা না দেওয়ায় ২০ হাজার পিচ ইট ছিলো যার আনুমানিক নগদ মূল্য ২,৫০,০০০ লক্ষ টাকা, ১০ ( দশ) টন রড যার আনুমানিক মূল্য
৯,৪০,০০০ লক্ষ টাকা, ২০০ ( দুইশত) বস্তা শাহ্ সিমেন্ট যার আনুমানিক মূল্য ১,০৬,০০০ টাকা ১ টি লোহার গেইট যার আনুমানিক মূল্য ৪০,০০০ টাকা ১ শত ৮০ পিচ টিন যার আনুমানিক মূল্য ৪,০৫,৩০০ টাকা এবং নির্মাণ কাজের কাঠ ও বাঁশ সহ ইত্যাদি মালামাল যার আনুমানিক মূল্য ৭০,০০০ টাকা উল্লেখ্য জমিতে থাকা মালামাল লুটকরে এবং সিকিউরিটি গার্ডকে মারধর সহ বাউন্ডারি ভেঙ্গে ফেলে।
স্থানীয়রা জানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত রউফ ও তার সহযোগীরা রাতের আঁধারে জমির সীমানা গেট ভেঙে ফেলে সেখানে দেওয়াল তোলার চেষ্টা চালায় ও মালামাল লুট করে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে রউফ তার সঙ্গীদের নিয়ে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে জমির সীমানা গেট ভেঙে সরিয়ে ফেলে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে একটি দেওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করে দেন।
এ সময় ওই জমির দখলকারীরা বিষয়টি টের পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কাশিমপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রউফ ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান এবং তাদের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়।
রউফ খানের সাথে বার বার যোগাযোগ করার চেস্টায় করা হলে যোগযোগ করা সম্ভব হয়নি তবে এই ঘটনাটি সূত্র মাধ্যমে জানা যায় তিনি অস্বীকার জানিয়েছেন।
রমজান আলী ও সেলিম রেজা বলেন প্রশাসন এবং মিডিয়া ও স্হানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনা সম্পর্কে অবগত আছেন আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল প্রশাসন এই ঘটনাটি তদন্ত করে সঠিক বিচার করবে এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।
বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে নিশ্চিত করেন কাশিমপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মোল্লা খালিদ হোসেন।