1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাশিয়ার সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের নতুন মিসাইল চুক্তির পথে ভারত হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ ও অস্থায়ী নৌপথ তৈরিতে ইরান-কাতার আলোচনা রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও অস্বস্তি কাটছে না নিত্যপণ্যের বাজারে আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলা: স্বৈরাচারমুক্ত হলেও অর্থনৈতিক সংকটে দিশেহারা সাধারণ মানুষ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা: নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়া নাগরিকদের সর্বশেষ তথ্য নেপালে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭ ২০২৮ সালের মধ্যে এ৩৮০ উড়োজাহাজ অবসরে পাঠাচ্ছে কান্তাস এয়ারওয়েজ প্রেক্ষাপট: তিক্ততা ভুলে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায় ইরান চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা পাগলা নদীতে গোসলে নেমে পাঁচ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

দেশের ৬৪ জেলায় তদারকির দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

দেশের ৬৪টি জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব প্রদান করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিজ নিজ জেলার দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি করবেন। সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের নামে বরাদ্দ থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট চালানো হয়েছে। সেই অর্থের একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এছাড়া বাকি অর্থ দেশের ভেতরে মাদক বিস্তার, সামাজিক অবক্ষয় এবং জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে জেলা পর্যায়ে সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে এই বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরোনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। পাশাপাশি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন তারা। প্রয়োজনে তারা জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন।

দায়িত্ব বণ্টনের তালিকায় রয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ (রাজশাহী ও নাটোর), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন (লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়), আবদুল আউয়াল মিন্টু (লক্ষ্মীপুর), নিতাই রায় চৌধুরী (চুয়াডাঙ্গা), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (হবিগঞ্জ), আরিফুল হক চৌধুরী (মৌলভীবাজার), মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (চট্টগ্রাম), এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা), আসাদুল হাবিব দুলু (ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর) এবং মো. আসাদুজ্জামান (খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট)।

এছাড়া জাকারিয়া তাহের (ফেনী ও নোয়াখালী), সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল (মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ), সাচিং প্রু (কক্সবাজার), মো. শরীফুল আলম (টাঙ্গাইল ও নরসিংদী), শামা ওবায়েদ ইসলাম (মাদারীপুর ও শরীয়তপুর), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ), আব্দুল বারী (বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ), সুলতান সালাউদ্দিন (ঢাকা), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি), হাবিবুর রশিদ (গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ), মো. রাজীব আহসান (বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর) এবং মীর শাহে আলম (রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম) দায়িত্ব পেয়েছেন।

তালিকায় আরও রয়েছেন ফারজানা শারমিন (সিরাজগঞ্জ ও পাবনা), শেখ ফরিদুল ইসলাম (যশোর, মাগুরা ও নড়াইল), ইয়াসের খান চৌধুরী (জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ), আহমেদ সোহেল মঞ্জুর (বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি), মোহাম্মদ শামীম কায়সার (জয়পুরহাট ও নওগাঁ), মো. জি কে গউছ (সিলেট ও সুনামগঞ্জ), মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ (রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ) এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর)। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশের ৬৪ জেলায় সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun