1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাকেও লোডশেডিংমুক্ত রাখার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মী নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনের স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদার (৪০) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেনের আদালতে রাজু মির্জা (১৯) ও সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০) এই জবানবন্দি প্রদান করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

নিহত আবু রায়হান তালুকদার ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সেপাই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার চার বছর ধরে রাজু মির্জা তাঁর বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাজু জবানবন্দিতে জানান, আর্থিক লেনদেন ও মূল্যবান সামগ্রীর তথ্য জানার সুযোগে তিনি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৪ জুলাই রাতে দুধের সঙ্গে ২০টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে আবু রায়হানকে পান করান রাজু। রায়হান অচেতন হয়ে পড়লে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর রাজু তাঁর সহযোগী সোহেল মির্জাকে ডেকে আনেন। দুজনে মিলে মরদেহটি ১৫ টুকরা করে তিনটি ব্যাগ ও কাপড়ে পেঁচিয়ে বাড়ির প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি পরিত্যক্ত ডোবার ঝোপে ফেলে দেন। হত্যাকাণ্ডের পর ঘরের মেঝে ও বাথরুম পরিষ্কার করতে তারা ডিটারজেন্ট, হ্যান্ডওয়াশ ও হারপিক ব্যবহার করেন।

রাজু আরও জানান, হত্যার পর তিনি নিহত ব্যক্তির আইফোনটি নিয়ে ঢাকায় গিয়ে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এছাড়া রায়হান নিখোঁজ থাকাকালীন তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (জব্দ) করে দেওয়া হয়, ফলে তারা আর টাকা তুলতে পারেননি।

গত ২ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজের ৯ দিন পর বাড়ির পেছনের পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় রায়হানের ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৪ আগস্ট নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। এজাহারে রাজু মির্জা, সোহেল মির্জা ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের অভিযোগ আনা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বিশ্বস্ত কেয়ারটেকার রাজু টাকার লোভে একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটান এবং লাশ গুম করতে বন্ধু সোহেলের সহায়তা নেন। তদন্তে এখন পর্যন্ত এই দুজনের বাইরে আর কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুজনে মিলে মরদেহটি ঘরেই চাপাতি দিয়ে ১৫ খণ্ড করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আবু রায়হানের মা রাহেলা খাতুনকে দেখাশোনা করতেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে তাঁদের দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun