ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী আটক করার আট মাস পার হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটির মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও হতাশার এক মিশ্র অনুভূতি বিরাজ করছে। স্বৈরশাসকের পতন ঘটলেও সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের অর্থনৈতিক সংকট ও আকাশচুম্বী খাদ্যমূল্যের বোঝা কমেনি। অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের নানা উদ্যোগ নিলেও দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি এখনও গভীর সংকটের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে।
আইইএসএ-এর অধ্যাপক হোসে ম্যানুয়েল পুয়েন্তে মনে করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন জরুরি হলেও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি ছাড়া সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। মাদুরোর শাসনামলে দমন-পীড়নের শিকার হাভিয়ের চাকন ও তার স্ত্রী দেলিয়া শুরুতে পরিবর্তনের আশা করলেও বর্তমান বাস্তবতায় তারা হতাশ। ৪৪ বছর বয়সী পোশাক প্রস্তুতকারক হাভিয়েরের মতে, ভেনেজুয়েলায় মানুষ এখন কেবল বেঁচে থাকার লড়াই করছে।
নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক রূপান্তরের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রাজনৈতিক বন্দিদের স্বজনরা নিজেদের অধিকারের দাবিতে রাজপথে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন, যা প্রমাণ করে যে দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরতে এখনও অনেক পথ বাকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার পতনে স্বস্তি এলেও চলমান অর্থনৈতিক দুর্ভোগ নিয়ে এখন অধৈর্য হয়ে উঠছেন মানুষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অতিমুদ্রাস্ফীতি ও নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট তাদের ব্যবসার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ‘আমাদের অনেক প্রত্যাশা ও আনন্দ ছিল,’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৫৪ বছর বয়সী এই মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক অল্প মুনাফায় কোনোরকমে টিকে আছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘আশা করি, একসময় এই পরিস্থিতি কেটে যাবে এবং আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর অনেকেই দেশে ডলারের প্রবাহ বাড়বে বলে আশা করেছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৬১ বছর বয়সী মুজিকা এএফপিকে বলেন, ‘নিকোলাস মাদুরোকে যখন যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গেল, তখন যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ নিয়ে আমার অনেক আশা ছিল।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘তারা স্বৈরশাসককে সরিয়েছে, কিন্তু স্বৈরশাসনকে নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের জন্য উপকারী এমন কিছুই ঘটেনি।’।