1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাশিয়ার সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের নতুন মিসাইল চুক্তির পথে ভারত হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ ও অস্থায়ী নৌপথ তৈরিতে ইরান-কাতার আলোচনা রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও অস্বস্তি কাটছে না নিত্যপণ্যের বাজারে আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলা: স্বৈরাচারমুক্ত হলেও অর্থনৈতিক সংকটে দিশেহারা সাধারণ মানুষ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা: নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়া নাগরিকদের সর্বশেষ তথ্য নেপালে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭ ২০২৮ সালের মধ্যে এ৩৮০ উড়োজাহাজ অবসরে পাঠাচ্ছে কান্তাস এয়ারওয়েজ প্রেক্ষাপট: তিক্ততা ভুলে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায় ইরান চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা পাগলা নদীতে গোসলে নেমে পাঁচ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

রাশিয়ার সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের নতুন মিসাইল চুক্তির পথে ভারত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে আরও একটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০০টি দূরপাল্লার আর-৩৭এম ‘এয়ার-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে থাকা সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হবে।

প্রযুক্তিগতভাবে আর-৩৭এম একটি অত্যন্ত শক্তিশালী আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এর কার্যকর পাল্লা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই দূরপাল্লার সক্ষমতার কারণে একে অনেক সময় ‘অ্যাওয়াক্স কিলার’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। অ্যাওয়াক্স বা এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল বিমানগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে রাডার হিসেবে কাজ করে এবং শত্রুপক্ষের গতিবিধি শনাক্ত করে। ফলে এই ধরনের বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা অর্জন ভারতীয় বিমানবাহিনীর আকাশযুদ্ধের কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ক্ষেপণাস্ত্রটির গঠন ও সক্ষমতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রায় ৪.২ মিটার দীর্ঘ এবং ৬০০ কিলোগ্রাম ওজনের এই অস্ত্রটি অত্যন্ত উচ্চগতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধেয়ে যেতে সক্ষম। ন্যাটোর সামরিক পরিভাষায় এটি ‘এএ-১৩ অ্যাক্সহেড’ নামে পরিচিত। প্রায় ৬০ কিলোগ্রাম ওজনের ওয়ারহেড বহনকারী এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দৃশ্যসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলে রাশিয়ার সঙ্গে এই নতুন চুক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে। এছাড়া ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের মতো যৌথ প্রকল্পগুলোতেও দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব রয়েছে। নতুন এই ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন ভারতীয় বিমানবাহিনীর দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধ সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।

তবে কেবল ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বা গতিই যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণ করে না। এর বাস্তব কার্যকারিতা নির্ভর করবে রাডার, ডেটা-লিংক এবং লক্ষ্য শনাক্তকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুদ্ধবিমানের সমন্বিত ব্যবহারের ওপর। সব মিলিয়ে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে তা ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘস্থায়ী কৌশলগত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ধারাবাহিকতাকেও আরও স্পষ্ট করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ওয়ারহেডের ওজন প্রায় ৬০ কিলোগ্রাম বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এই নামটি মূলত এর সম্ভাব্য ভূমিকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভারতের জন্য এই চুক্তির গুরুত্ব শুধু নতুন একটি অস্ত্র যুক্ত হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun