1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলা: স্বৈরাচারমুক্ত হলেও অর্থনৈতিক সংকটে দিশেহারা সাধারণ মানুষ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা: নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়া নাগরিকদের সর্বশেষ তথ্য নেপালে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭ ২০২৮ সালের মধ্যে এ৩৮০ উড়োজাহাজ অবসরে পাঠাচ্ছে কান্তাস এয়ারওয়েজ প্রেক্ষাপট: তিক্ততা ভুলে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায় ইরান চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা পাগলা নদীতে গোসলে নেমে পাঁচ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু নভেম্বরে তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাকেরগঞ্জে বেহাল সংযোগ সড়ক: মৃত্যুঝুঁকিতে চলাচল, স্থায়ী সমাধানের দাবি এলাকাবাসীর শরীরী ভাষা দেখে কি সত্যিই মিথ্যাবাদী চেনা সম্ভব? কী বলছে বিজ্ঞান আতলেতিকো মাদ্রিদে বন্দি হুলিয়ান আলভারেজ: স্বপ্নপূরণের পথে বাধা কেন এই তারকা?

২০২৮ সালের মধ্যে এ৩৮০ উড়োজাহাজ অবসরে পাঠাচ্ছে কান্তাস এয়ারওয়েজ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স কান্তাস তাদের বহরে থাকা ১০টি এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজ অবসরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, যা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে চার বছর আগেই কার্যকর করা হচ্ছে। মূলত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধি, যন্ত্রাংশ সরবরাহে জটিলতা এবং আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়ার কারণেই এই বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে এয়ারলাইন্সটি।

একসময় আকাশপথের রাজকীয় যান হিসেবে পরিচিত চার ইঞ্জিনের বিশাল এয়ারবাস এ৩৮০ বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল। বোয়িং ৭৪৭-এর একচ্ছত্র আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এয়ারবাস এই সুপারজাম্বো তৈরি করে। দুই তলা বিশিষ্ট এই উড়োজাহাজে সর্বোচ্চ ৮৫৩ জন যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। ২০০৭ সালে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে এর বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয়। প্রশস্ত কেবিন এবং বিশাল আকারের কারণে এটি দ্রুতই যাত্রীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও, এর পরিচালন অর্থনীতি শেষ পর্যন্ত এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

এ৩৮০ পরিচালনায় জ্বালানি খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অনেক বেশি। এছাড়া ৫০০ বা তার বেশি আসন নিয়মিত যাত্রী দিয়ে পূরণ করাও অনেক এয়ারলাইন্সের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। বিপরীতে বোয়িং ৭৮৭ ও এয়ারবাস এ৩৫০-এর মতো দুই ইঞ্জিনের আধুনিক উড়োজাহাজগুলো কম জ্বালানিতে দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিতে সক্ষম। এই বাস্তবতায় ২০২১ সালে এয়ারবাস এ৩৮০-এর উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। মোট ২৫১টি এ৩৮০ সরবরাহ করা হয়েছিল, যার মধ্যে জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী ১৯৬টি এখনো সেবায় রয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি এই উড়োজাহাজের পতনকে আরও ত্বরান্বিত করে, কারণ দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বিশ্বের প্রায় সব এ৩৮০ গ্রাউন্ডেড হয়ে পড়েছিল। কান্তাসের উড়োজাহাজগুলোও ৫০০ দিনের বেশি সময় উড্ডয়ন বন্ধ রেখেছিল।

ইতিমধ্যেই এয়ার ফ্রান্স ২০২০ সালে তাদের ১০টি এ৩৮০ অবসরে পাঠিয়েছে। এছাড়া চায়না সাউদার্ন ২০২২ সালে পাঁচটি এবং মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ২০২৩ সালে ছয়টি এ৩৮০ সরিয়ে নিয়েছে। থাই এয়ারওয়েজ, লুফথানসা, কোরিয়ান এয়ার, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ও কাতার এয়ারওয়েজও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের বহর সংকুচিত করেছে। তবে সুপারজাম্বোর যুগ পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ৩৮০ অপারেটর এমিরেটসের বহরে এখনো ১১৬টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যা মোট সরবরাহের প্রায় অর্ধেক। এমিরেটস ২০৪০-এর দশক পর্যন্ত এই মডেলটি পরিচালনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ১২টি করে, লুফথানসা, কাতার এয়ারওয়েজ ও ইতিহাদ এয়ারওয়েজের আটটি করে এ৩৮০ এখনো বহরে রয়েছে। কোরিয়ান এয়ার, এশিয়ানা এয়ারলাইন্স এবং জাপানের অল নিপ্পন এয়ারওয়েজও এই মডেলের ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে এ৩৮০-এর বাণিজ্যিক আকর্ষণ ক্রমেই কমে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun