পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন আজাদ কাশ্মীর (পিওকে) ভারতের দখলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা ব্যক্ত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান ‘হুমকির সংস্কৃতি’র তীব্র সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, এখন এই পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর সময় এসেছে। তিনি ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে জাতীয়তাবাদ পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার করেন। সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি ও এসএফআইয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে এই বক্তব্য রাখেন।
‘অপারেশন সিঁদুরের’ বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিলের সমালোচনা করে শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে স্লোগান দেওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন আজাদ কাশ্মীরের স্বাধীনতার দাবি তোলা উচিত। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ বা ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেওয়ার পরিবর্তে ‘ফ্রি পিওকে’ দাবি করা উচিত। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, ভারত অবশ্যই সেই কাশ্মীর ফেরত নেবে।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও বাম সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদ এবং রাজ্যের ঐতিহ্যকে অবমূল্যায়নের অভিযোগ তুলে শুভেন্দু বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্টদের প্রভাবে রয়েছে। তার দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস এবং ভারতীয় ও বাঙালি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এ সময় তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সংশ্লিষ্টদের বাড়িতে এসব মহান ব্যক্তিত্বের ছবিও খুঁজে পাওয়া যাবে না।