1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাকেও লোডশেডিংমুক্ত রাখার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে মাত্র দুই সবজি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত ও জ্বালানি সংকটের নেতিবাচক প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও, হাতিরপুল ও মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে থাকা ২১ ধরনের সবজির মধ্যে মাত্র পেঁপে ও বড় করলা ৫০ টাকার নিচে বিক্রি হচ্ছে। বাকি সবজির দাম চড়া, যার মধ্যে কোনো কোনোটি ১০০ টাকা বা তারও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারের চিত্র অনুযায়ী, প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং বড় করলা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়া, কাঁকরোল, পটল, শসা ও ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বেগুনের বিভিন্ন জাতের মধ্যে কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গাজর ও টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচু ৬০ টাকা পিস, ছোট করলা ৮০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। লাউয়ের দাম আকারভেদে ৫০ থেকে ৮০ টাকা এবং শাকের আঁটি ২০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টির মৌসুমে সাধারণত কচুর লতি, পটল বা ঢ্যাঁড়সের মতো সবজির সরবরাহ বাড়ার কথা থাকলেও এবার চিত্র ভিন্ন। বিক্রেতা আমির জানান, দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। আরেক বিক্রেতা মিজানের মতে, চাষাবাদ কমে যাওয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পাইকারি বাজারে দাম বেশি, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

সবজির পাশাপাশি মাছ-মাংস ও ডিমের বাজারও অস্থির। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা। মাছের বাজারে বাইন মাছ ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ মাছের দাম আকারভেদে ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বমুখী দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সবুজ আহমেদ জানান, মাছ-মাংসের দাম দীর্ঘদিন ধরেই বেশি, এখন সবজির দামও সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বাজার মনিটরিং জোরদার করা হলে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun