1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রেক্ষাপট: লিবিয়ার আটককেন্দ্র থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা: সালিসের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ তারেক রহমানের সঙ্গে দ্রুত সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প মাসকাটে জরুরি অবতরণের পর চট্টগ্রামের পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট স্যামসাং ওয়ালেটে যুক্ত হলো কাতারের জাতীয় পেমেন্ট কার্ড ‘হিময়ান রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে মাত্র দুই সবজি ভারত থেকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় না পাওয়ার প্রত্যাশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর হাসিনা আর ফিরবেন না, তার রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ: লক্ষ্মীপুরের এমপি আবুল খায়ের আইপিএলে কি তবে শেষ হচ্ছে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম? মতামত চাইল বিসিসিআই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হলের সময়সীমা বাড়ল, সাময়িক বরখাস্ত ৪ শিক্ষক

হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা: সালিসের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে সালিস বৈঠক হয়েছে। ইউপি সদস্যের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই সালিসে ভুক্তভোগী পরিবারকে ৯০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সালিসে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে হানিফ মিয়া (২৫) নামের এক ব্যক্তি ওই কিশোরীকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। ঘটনার পর মেয়েটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত হানিফ পালিয়ে যান। ওই দিনই কিশোরীকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ২৩ আগস্ট সে বাড়িতে ফেরে।

সালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কিশোরীর পরিবারকে ৯০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এবং বাকি ৭০ হাজার টাকা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দেওয়ার কথা রয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর মা জানান, তারা মামলা করতে চাইলেও গ্রামের মুরব্বিরা তাদের বাধা দেন এবং সালিসের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করেন।

সালিসের মধ্যস্থতাকারী ইউপি সদস্য আবেদুর রহমান দাবি করেন, ঘটনাটি ধর্ষণের চেষ্টা ছিল। উভয় পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় এবং মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকায় তারা সালিসের আয়োজন করেছেন। এতে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামাল মিয়াসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাবেক চেয়ারম্যান জামাল মিয়া কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি। তবে তারা আইনগত সহায়তা চাইলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সালিসের বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি মেয়েকে নিয়ে বেশির ভাগ সময় শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁরা আত্মীয়স্বজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে হানিফ সেখান থেকে পালিয়ে যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, ‘খাল্লা বাড়িত আমার মাইয়ারে পুশলাইয়া নিইয়া ধর্ষণ করছে হানিফে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউপি সদস্য আবেদুর রহমানসহ কয়েকজন সালিস কইরা ওই ৯০ হাজার টেকা ধার্য করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই টেকার মাঝে আমি ২০ হাজার টেকা পাইছি।’।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun