1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাসকাট বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট আটকে: যাত্রীর মৃত্যুতে অনিশ্চয়তা কাতারের আমিরি দিওয়ানে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নতুন পে-স্কেলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদত্যাগ করলেন মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকল: প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধের জল্পনা নবম জাতীয় বেতন স্কেল অনুমোদন: চার ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কুড়িগ্রামের আমজাদের সংগ্রহে ২২টি গ্রামোফোন ও পাঁচ হাজার গানের রেকর্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার: এক নজরে সব অর্জন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ: নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, আজকের এই দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার উৎস।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর শহীদ জিয়া প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল, যা থেকে উত্তরণে বিএনপির প্রতিষ্ঠা একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব বিএনপিকে দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিল। একইসঙ্গে তিনি গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাঁদের সবার অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। যখনই গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, তখনই দলের নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ যখনই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন ও নারীশিক্ষার প্রসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলো বিএনপি সরকারের আমলেই নেওয়া হয়েছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ণ রেখে নেতাকর্মীরা আগামী দিনেও দেশসেবায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। পরিশেষে তিনি বলেন, বিএনপির মূল শক্তি হলো দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ এবং দলটির লক্ষ্য হলো একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপির গৌরবময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun