1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২১ সন্ত্রাসী ও ৬ নিরাপত্তাকর্মী নিহত জামায়াতে যোগ দিলেন ৬৫০ জন: তালিকায় সাবেক বিচারপতি, সেনা কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজনেরা প্রেক্ষাপট: লিবিয়ার আটককেন্দ্র থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা: সালিসের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ তারেক রহমানের সঙ্গে দ্রুত সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প মাসকাটে জরুরি অবতরণের পর চট্টগ্রামের পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট স্যামসাং ওয়ালেটে যুক্ত হলো কাতারের জাতীয় পেমেন্ট কার্ড ‘হিময়ান রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে মাত্র দুই সবজি ভারত থেকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় না পাওয়ার প্রত্যাশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর হাসিনা আর ফিরবেন না, তার রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ: লক্ষ্মীপুরের এমপি আবুল খায়ের

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম: ৫০ টাকার নিচে মিলছে মাত্র দুই সবজি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত ও জ্বালানি সংকটের নেতিবাচক প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও, হাতিরপুল ও মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে থাকা ২১ ধরনের সবজির মধ্যে মাত্র পেঁপে ও বড় করলা ৫০ টাকার নিচে বিক্রি হচ্ছে। বাকি সবজির দাম চড়া, যার মধ্যে কোনো কোনোটি ১০০ টাকা বা তারও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারের চিত্র অনুযায়ী, প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং বড় করলা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়া, কাঁকরোল, পটল, শসা ও ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বেগুনের বিভিন্ন জাতের মধ্যে কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গাজর ও টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচু ৬০ টাকা পিস, ছোট করলা ৮০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। লাউয়ের দাম আকারভেদে ৫০ থেকে ৮০ টাকা এবং শাকের আঁটি ২০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টির মৌসুমে সাধারণত কচুর লতি, পটল বা ঢ্যাঁড়সের মতো সবজির সরবরাহ বাড়ার কথা থাকলেও এবার চিত্র ভিন্ন। বিক্রেতা আমির জানান, দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। আরেক বিক্রেতা মিজানের মতে, চাষাবাদ কমে যাওয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পাইকারি বাজারে দাম বেশি, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

সবজির পাশাপাশি মাছ-মাংস ও ডিমের বাজারও অস্থির। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা। মাছের বাজারে বাইন মাছ ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ মাছের দাম আকারভেদে ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বমুখী দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সবুজ আহমেদ জানান, মাছ-মাংসের দাম দীর্ঘদিন ধরেই বেশি, এখন সবজির দামও সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বাজার মনিটরিং জোরদার করা হলে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun