1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: লারাক দ্বীপের ঘটনার প্রতিশোধ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ: দুদকের কাছে প্রমাণ উন্মুক্ত করার আহ্বান আসিফ মাহমুদের আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ২০ সাভারে তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় গৃহবধূ গ্রেপ্তার, নেপথ্যে যা জানা গেল ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই ও গাছ উপহার দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১১০ হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক মাইন বিস্ফোরণে সুপারট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ড সাড়ে তিন মাস পর বাজারে ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ: দুদকের কাছে প্রমাণ উন্মুক্ত করার আহ্বান আসিফ মাহমুদের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং একই মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলমসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের গণসংযোগ বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে, যার অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসেন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

দুদকের এই বিজ্ঞপ্তির পর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আসিফ মাহমুদ দুদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘দয়া করে প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করুন।’ তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, একজন উপদেষ্টা, একজন সচিব, একজন যুগ্মসচিব ও একজন উপসচিবসহ অনেকে মিলে ১৮৮ জন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তার কাছ থেকে জনপ্রতি ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা করে মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, দুদক যেহেতু প্রমাণ পাওয়ার দাবি করছে, তাই তা যেন জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়।

অভিযুক্ত চারজনের তালিকায় আসিফ মাহমুদ ও সচিব মাহবুব-উল-আলম ছাড়াও রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব শেখ জোবায়ের হোসেন এবং উপসচিব (যুব-১ শাখা) মাসুম আহমেদ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় রয়েছে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেট গঠন। বিশেষ করে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়ন আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি এবং পছন্দের জায়গায় পদায়নের জন্য মোট ২ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগও আনা হয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়ের হোসেন, উপসচিব মাসুম আহমেদ এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির (ঢাকা), আনিচ, জাহিদ, ইব্রাহিম (বগুড়া), জুলহাস (বরিশাল), নাকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ (পাবনা), কোরবান আলী (ধামরাই) ও আলী হোসেন (নরসিংদী) গংদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছিল। এই চক্রের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের টেন্ডারবাজি ও কেনাকাটাসহ নানা খাতে দুর্নীতির মহোৎসব চালানোর অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এছাড়াও অভিযুক্তরা ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়ন আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১.৫ কোটি টাকা এবং পদোন্নতিপূর্বক পছন্দের জায়গায় পদায়ন করার জন্য সর্বমোট ২ কোটি টাকার দুর্নীতি করার অভিযোগ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun