1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা আয়ারল্যান্ডে গাজার শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ

গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন: বিহারের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী এই চুক্তির নবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, বিহারের পানির প্রয়োজনীয়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার একটি উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। জনতা দল ইউনাইটেড বা জেডিইউ-এর জাতীয় কার্যকরী সভাপতি ও বিহারের রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় কুমার ঝাকে লেখা এক চিঠিতে তিনি এই আশ্বাস প্রদান করেন।

গত ৬ আগস্ট রাজ্যসভায় ‘স্পেশাল মেনশন’ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নের সময় বিহারের স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়েছিলেন সঞ্জয় কুমার ঝা। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই ২৮ আগস্ট জয়শঙ্কর তাকে এই চিঠি পাঠান। চিঠিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে বিহারের উদ্বেগের বিষয়টি ভারত সরকার গুরুত্বের সাথে উপলব্ধি করছে। চুক্তিটির বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ পর্যালোচনার লক্ষ্যে পানিশক্তি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একাধিক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়েছে বলেও তিনি জানান।

জয়শঙ্করের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট ও ৩০ অক্টোবর এবং ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ ও ৩১ মে অনুষ্ঠিত পরামর্শমূলক বৈঠকগুলোতে বিহার সরকারের একজন অনুমোদিত প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বিহারের পানীয় জল, সেচ ও শিল্পক্ষেত্রে পানির চাহিদাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। চিঠিতে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, এসব বিষয় মাথায় রেখেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

কেন্দ্রের এই আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে সঞ্জয় কুমার ঝা বলেন, এটি বিহারের ১৩ কোটি মানুষের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি বিষয়। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বিহার কোনো অনুগ্রহ চাইছে না, বরং বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য পানির অধিকারটুকু নিশ্চিত করতে চায়। ঝা আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী ৩০ বছরের জন্য যেন রাজ্যের মানুষ পানীয় জল, সেচ ও শিল্পক্ষেত্রে পানির সংকটে না পড়েন, তা নিশ্চিত করা হবে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিহারের স্বার্থ রক্ষায় ভারত সরকার ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপ নেবে বলেই প্রত্যাশা করছেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফারাক্কা ব্যারেজে শুষ্ক মৌসুমের পানি প্রবাহ ব্যবস্থাপনার জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী এই চুক্তির মেয়াদ এ বছর ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের বিবেচনাপ্রসূত জবাবের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun