1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসির সাময়িক মনোনয়ন নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত: এক দীর্ঘ কবিতার মুগ্ধতা ও ক্লান্তি শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনাসদস্য নিহত রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের রাতেও ভিনিসিয়ুসকে দুয়োধ্বনি, ধৈর্য হারাচ্ছে বার্নাব্যু হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতেই ইন্টার মিলানকে হারালো রিয়াল মাদ্রিদ পণ্য পাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি বিমান কর্মকর্তার

বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকার ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে উকিল নোটিস পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোস্তফা মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার সোমবার জনস্বার্থে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিস প্রদান করেন। নোটিসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে চুক্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। প্রস্তাবিত এই বহরে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব উড়োজাহাজের সম্মিলিত তালিকামূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এত বিশাল অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আইনজীবী সারওয়ার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আইনজীবী তার নোটিসে প্রশ্ন তুলেছেন, উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কেন উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন নির্মাতাকে সমান সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা এয়ারবাসের প্রস্তাব কেন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়া চুক্তি ও সম্ভাব্যতা যাচাইসংক্রান্ত নথি প্রকাশ না করার বিষয়েও তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। একজন সচেতন নাগরিক ও করদাতা হিসেবে জনগণের বিপুল অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে তথ্য জানার অধিকার রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উড়োজাহাজ কেনার আগে বিমানের প্রকৃত বহরের প্রয়োজনীয়তা, বিভিন্ন রুটে যাত্রী চাহিদা, আসন ব্যবহারের হার বা লোড ফ্যাক্টর, খালি আসনের পরিসংখ্যান এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন বাজারের পরিস্থিতি বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়নের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি, শিল্প উৎপাদন, খেলাপি ঋণ এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকারি ব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এই বিনিয়োগের ‘অপরচুনিটি কস্ট’ বা সুযোগ ব্যয় নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নোটিসে বোয়িং ক্রয়সংক্রান্ত সব ফাইল, কার্যবিবরণী, এমওইউ ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন সংরক্ষণ ও প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। আইনজীবী সারওয়ার সতর্ক করে বলেছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব ও প্রয়োজনীয় নথি প্রকাশ না করলে এবং স্বাধীন যাচাই-বাছাই ছাড়া নতুন কোনো চুক্তি সম্পাদন করা হলে তিনি রিট মামলা দায়ের করতে বাধ্য হবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun