ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের পর পদদলিত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন বলে যে সংবাদ ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার। সোমবার রাতে হাসপাতালে সাংবাদিকদের সামনে তিনি জানান, প্রশাসন মৃত্যুর তালিকা যাচাই-বাছাই করে দেখেছে যে, তালিকায় থাকা অন্তত একজন ব্যক্তি জীবিত আছেন। এছাড়া আরও দুজন স্বাভাবিক কারণে মারা গেছেন। মৃতদের পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন যে, তারা হাসপাতালে আনার পূর্বেই স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। অন্য দুজনের মৃত্যুর সঠিক কারণ চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে পদদলিত হয়ে কারও মৃত্যুর কোনো সত্যতা মেলেনি। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারাও একই তথ্য জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় হুড়োহুড়ি ও আতঙ্কে কয়েকজন আহত হলেও পদদলিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, তাড়াহুড়ো করে নিচে নামতে গিয়ে কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ঘটনার সঠিক কারণ তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর বাইরেও সাম্প্রতিক সময়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে কিছু অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে ছাত্রদলের সংঘর্ষের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত ও হল ছাড়ার নির্দেশ, হাসপাতালের ৮ তলা থেকে এক তরুণীর লাফিয়ে পড়ে মৃত্যু এবং স্বাস্থ্যের ডিজির সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়া চিকিৎসকের অব্যাহতি সংক্রান্ত বিষয়। জাতীয় ও প্রশাসনিক অন্যান্য সংবাদের মধ্যে রয়েছে শিল্প খাতে গ্যাসের সরবরাহ আগামী দিন থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং ডিএজির ফেসবুক পোস্ট নিয়ে রুমিনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের আইনগত সীমাবদ্ধতার ব্যাখ্যা। এছাড়া আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্ত নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নাকচ করেছেন সংশ্লিষ্টরা এবং তিনি বিদেশে অর্থ থাকার বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘বিদেশে এক টাকাও খুঁজে পেলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো’: আসিফ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তে পক্ষপাত নেই: দুদক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ময়মনসিংহ মেডিকেলে পদদলিত হয়ে ৬ জনের মৃত্যুর খবর সঠিক নয়: বিভাগীয় কমিশনার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা সবার সঙ্গে কথা বলেছি, পদদলিত হয়ে কেউ মারা যাননি।