1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইন্দোনেশিয়ার কাছে অসহায় বাংলাদেশ: বিরতির আগেই হজম ৬ গোল আমাদের ৫টি মিনিট সময় দিন, আশুলিয়ার মাদ্রাসা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাস্ট পরিবারের আরজি বরিশাল নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার মৃত্যুতে চাঞ্চল্য বাংলাদেশ সিরিজের জন্য আফগানিস্তানের দল ঘোষণা: নেতৃত্বে রহমত শাহ পাবনার শরৎনগর পশুর হাট: গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ: আসন শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসিক এলাকায় ছোট বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৪ কাতারে ৩০ সেপ্টেম্বরের চাকরির খবর ও কিছু জরুরি সতর্কতা ডিসেম্বরে কোনো অস্থিরতা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার প্রকাশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুই দশকের সেনা উপস্থিতি শেষে ইরাক ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুই দশকের দীর্ঘ সামরিক উপস্থিতির ইতি টেনে ইরাক থেকে নিজেদের সব সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এর আগে ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সঙ্গে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়ন করল।

২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানে ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সামরিক সম্পৃক্ততার সূচনা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে দেশটিতে অস্থিরতা ও নিরাপত্তা সংকটের সৃষ্টি হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালের শেষদিকে প্রথমবার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হলেও, আইএসের উত্থানের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে তারা আবারও ইরাকে ফিরে আসে। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি বাহিনীকে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে মার্কিন সেনারা। ২০১১ সালের শেষ দিকে প্রথম দফায় ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর দেশটিতে দীর্ঘদিন বিদ্রোহ দমন অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী।

দীর্ঘ এই সামরিক অভিযানে প্রাণহানির ঘটনাও কম নয়। ইরাক যুদ্ধ ও এর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযানে অন্তত ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। বিশেষ করে চলতি বছর ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় ইরাকে সাতজনসহ মোট ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত জুলাই মাসে এরবিলের কাছে একটি ঘাঁটিতে শত্রুভাবাপন্ন ড্রোন ধ্বংস করতে গিয়ে এক মার্কিন সার্জেন্ট নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

মার্কিন বাহিনীর এই প্রস্থানের ফলে ইরাকে নতুন করে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন। একই সঙ্গে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব বৃদ্ধি এবং উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে, মার্কিন সহায়তা ও প্রশিক্ষণে গড়ে ওঠা ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী আসন্ন এই চ্যালেঞ্জগুলো কতটা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়ে গেছে। ইরানের বর্তমান সরকার ও তাদের মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্থানকে নিজেদের একটি বড় কৌশলগত ও রাজনৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরাকে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun