1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন

সৌদি ফ্লাইটের যাত্রীদের সহায়তায় এয়ারলাইনসগুলোকে কঠোর নির্দেশনা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সে দেশের রুটে চলাচলকারী সকল এয়ারলাইনসকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করেন। মূলত সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট চলাচলে যে বিঘ্ন ঘটছে, তা মোকাবিলা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সৌদিগামী বা সেখান থেকে আসা কোনো ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন, বিলম্ব বা বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের তাৎক্ষণিকভাবে তা জানাতে হবে। এক্ষেত্রে খুদে বার্তা, ই-মেইল, ফোনকল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরণের যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। যাত্রীদের কাছে টিকিট বুকিং, অর্থ ফেরত কিংবা পরিবর্তিত ফ্লাইটের সময়ের বিষয়ে স্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া এয়ারলাইনসগুলোর দায়িত্ব।

যাত্রীরা যদি ভিসার মেয়াদ বাড়ানো বা অভিবাসনজনিত কোনো সংকটে পড়েন, তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এয়ারলাইনসগুলোকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। একইসাথে বিমানবন্দরে উপস্থিত ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জল, খাবার এবং বসার মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের প্রতি বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

ফ্লাইট ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রতিটি এয়ারলাইনসকে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি ও যোগাযোগের ঠিকানা দ্রুত বিমানবন্দরের ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা বিভাগকে জানাতে হবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের সাথে সহানুভূতিশীল আচরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে সৌদি আরবের রিয়াদ, দাম্মাম, জেদ্দা ও মদিনা রুটে ফ্লাইট পরিচালিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রীদের যাতে কোনোভাবেই অসহায় অবস্থায় পড়তে না হয় এবং ভোগান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে, তা নিশ্চিত করাই এই কঠোর নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun