কর্মব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ বা দুশ্চিন্তায় অস্থির লাগলে নিজেকে একটু সময় দেওয়া প্রয়োজন। এর জন্য দীর্ঘ সময় ধরে ধ্যান বা ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। মাত্র ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ডের সহজ কিছু অভ্যাস বা ‘মাইক্রোপ্র্যাকটিস’ মন ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। এসব চর্চা দিনের যেকোনো সময় করা সম্ভব। সৌদির দেওয়া বন্দি তালিকায় ২ বাংলাদেশির নাম ছিল, মৃত্যুদণ্ডের তথ্য ছিল না। এ ধরনের ছোট ছোট চর্চাকে বলা হয় ‘মাইক্রোপ্র্যাকটিস’। হাসার জন্য সব সময় মজার কিছুর দরকার নেই। ‘লাফটার ইয়োগা’ বা হাসির যোগ ব্যায়ামে ইচ্ছা করেই হাসতে হয়। মন ভালো করতে পারে যে ৫ টেলিভিশন সিরিজ। মন ভালো করা ভুটানের চিকিৎসা ব্যবস্থা।
হাসি মন ভালো রাখার অন্যতম ওষুধ। বুমরাহকে তিন ফরম্যাটে খেলানো উচিত নয়: শাস্ত্রী। সৌদিতে ছেলের মৃত্যুদণ্ড, মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার।
ডেলফট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক নাতালি ভ্যান ডের ওয়ালের গবেষণায় দেখা গেছে, কৌতুক ছাড়া কেবল ইচ্ছাকৃত হাসির চর্চাও বিষণ্নতা ও উদ্বেগ কমাতে প্রায় দ্বিগুণ কার্যকর।
প্রথমে এটি কৃত্রিম মনে হলেও কিছুক্ষণ পর সত্যিকারের হাসি চলে আসে।
পদ্ধতিটি হলো—প্রথমে তিনবার গভীর শ্বাস নিন। এরপর পেটের ওপর হাত রেখে ‘হি হি হি, হা হা হা’ ছন্দে হাসতে শুরু করুন এবং শেষে আবার গভীর শ্বাস নিন।
দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহারের ফলে ঘাড় ও কাঁধে অস্বস্তি তৈরি হয়। বিবিসি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড শরীর টানটান বা স্ট্রেচিং করলে কাজের উৎপাদনশীলতা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি মানসিক চাপ কমাতেও কার্যকর।
দুশ্চিন্তা কমাতে গভীর শ্বাস নেওয়া একটি কার্যকর উপায়। ইতালির নেপলস ফেদেরিকো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অমিত কুমারের গবেষণায় উঠে এসেছে, তিনবার ধীরে গভীর শ্বাস নিলে মস্তিষ্কের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায় এবং মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে বা অস্থির লাগলে আরাম করে বসে চোখ বন্ধ করে নাক দিয়ে শ্বাস নিন ও ছাড়ার সময় একটু বেশি সময় নিন। প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাক হোসেনের।
নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার অভ্যাসটিও মন ভালো রাখতে সহায়তা করে। গবেষক এলি সাসম্যান ও তার সহকর্মীদের গবেষণা অনুযায়ী, ২০ সেকেন্ড ধরে বুক বা বাহুতে হাত রেখে নিজের প্রতি ইতিবাচক চিন্তা করলে শরীরে চাপের হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে। নিয়মিত এই চর্চা করলে ছয় মাস পরও নিজের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকে।
সবগুলো অভ্যাস একসঙ্গে শুরু না করে আপনার জন্য যেটি কার্যকর মনে হয়, সেটি দিয়েই শুরু করতে পারেন। মনে রাখবেন, সবার ক্ষেত্রে সব চর্চা সমানভাবে কাজ নাও করতে পারে।