1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনাসদস্য নিহত রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের রাতেও ভিনিসিয়ুসকে দুয়োধ্বনি, ধৈর্য হারাচ্ছে বার্নাব্যু হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতেই ইন্টার মিলানকে হারালো রিয়াল মাদ্রিদ পণ্য পাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি বিমান কর্মকর্তার প্রবাসী ও রেমিট্যান্স আয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম: বিদেশ যাত্রায় কেন এগিয়ে এই বিভাগ? জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন ড. খলিলুর রহমান

ইরাক থেকে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যাহার: নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইরাকের আকাশসীমার সুরক্ষায় যে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তা নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসিম আল-আরাজি নিশ্চিত করেছেন যে, নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক জোটের সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে।

এই প্রত্যাহারের আওতায় কুর্দি অঞ্চলে মোতায়েন থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্লোজ-ইন রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা সি-র‍্যামের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে এই ব্যবস্থাগুলো ইরাকে মার্কিন ও জোট বাহিনীর ঘাঁটি, এরবিলের সামরিক স্থাপনা, প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং বিমান চলাচলের অবকাঠামোকে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছিল। এখন এই প্রতিরক্ষা কবচ সরে যাওয়ায় ইরাকের নিজস্ব সীমিত সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির ভিত্তিতে আইএসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জোটের সামরিক অভিযানের সময়সীমা ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, জোটের ভূমিকা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান থেকে সরে এসে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতার দিকে মোড় নেওয়ার কথা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়ার ফলে ইরাকের আকাশসীমা আঞ্চলিক সংঘাতের মুখে আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মান আল-জুবুরি। তার মতে, এর ফলে আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

এই নিরাপত্তা ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে ইরাক নিজস্ব সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে রাডার, কমান্ড অবকাঠামো এবং বিভিন্ন পাল্লার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ইরাকি সামরিক বাহিনী শুরুতে ছয় বছরের একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও প্রধানমন্ত্রী তা কমিয়ে তিন বছরে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, শুধু অস্ত্র কেনাই যথেষ্ট নয়; একটি কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দক্ষ জনবল, দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন সিস্টেমের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। ফলে মার্কিন ব্যবস্থা প্রত্যাহারের পর তৈরি হওয়া এই নিরাপত্তা শূন্যতা দ্রুত পূরণ করা ইরাকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun