1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আয়কর রিটার্নে ভুল মানেই কর ফাঁকি নয়: জরিমানা আরোপে এনবিআরের নতুন নির্দেশনা দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসির সাময়িক মনোনয়ন নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত: এক দীর্ঘ কবিতার মুগ্ধতা ও ক্লান্তি শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনাসদস্য নিহত রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের রাতেও ভিনিসিয়ুসকে দুয়োধ্বনি, ধৈর্য হারাচ্ছে বার্নাব্যু হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতেই ইন্টার মিলানকে হারালো রিয়াল মাদ্রিদ

শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিক আমদানির আড়ালে অভিনব কৌশলে পাচার করা ১ হাজার ৬৫৫টি দামি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের ইমপোর্ট কার্গো এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করে কাস্টমস ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা। অভিযানে ঢাকা কাস্টমস, কাস্টমস গোয়েন্দা ও এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক)-এর সদস্যরা অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এফএফ কার্গো নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নামে চালানটি বাংলাদেশে আসে। এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৮২৮-৫৬৭৮২৪১২ সম্বলিত এই চালানটি গত ৩১ আগস্ট হংকং এয়ার কার্গোর RH-6651 ফ্লাইটে হংকং থেকে ঢাকায় পৌঁছায়। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি নথিপত্রে পণ্য হিসেবে গার্মেন্টস ফেব্রিক ঘোষণা করেছিল। তবে কার্গো এলাকায় পরীক্ষার সময় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে ফেব্রিকের রোলগুলো খুলে বিস্তারিত তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে ফেব্রিক রোলের ভেতরে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। ঢাকা কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘোষণার আড়ালে এভাবে মোবাইল ফোন আনা আইনত দণ্ডনীয়। জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোর ব্র্যান্ড, মডেল ও বাজারমূল্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কী পরিমাণ শুল্ক-কর ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বর্তমানে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে। একইসঙ্গে এই চালানটি কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং অতীতে একই কৌশলে অন্য কোনো চালান খালাস করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কাস্টমস সূত্র বলছে, বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শুল্ক-কর ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসরণ করতে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমদানিকারকের ঘোষণাপত্রে চালানটিতে গার্মেন্টস ফেব্রিক রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun