লা লিগায় গতকাল রাতে এলচের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদকে জয় এনে দিয়েছেন ২১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড কার্লোস এস্পি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তাঁর গোলটি রিয়ালকে ৩-২ ব্যবধানের জয় এনে দেয়। কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং এলচের একটি আত্মঘাতী গোলে রিয়াল ৩৩ মিনিটেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল। তবে ৭১ ও ৮৩ মিনিটে দুই গোল হজম করে ম্যাচটি ড্র হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল কোচ জোসে মরিনিওর শিষ্যরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ৮৭ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডকে উঠিয়ে এস্পিকে মাঠে নামান মরিনিও। মাঠের নামার মাত্র চার মিনিটের মাথায় ৯০+১ মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে জয়সূচক গোলটি করেন এই স্প্যানিশ তারকা। পরিসংখ্যান ভিত্তিক সাইট অপ্টার তথ্য অনুযায়ী, এবারের মৌসুমে লা লিগায় প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৯০ মিনিট বা তার পরে দুটি জয়সূচক গোল করার কৃতিত্ব দেখালেন এস্পি। এর আগে ভিয়ারিয়ালের আয়োজে পেরেজের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে লিগের প্রথম ছয় ম্যাচে এমন কীর্তি গড়লেন তিনি। এর আগে এসপানিওলের বিপক্ষেও নিজের অভিষেক ম্যাচে ৯০ মিনিটে জয়সূচক গোল করেছিলেন এস্পি।
গত জুলাই মাসে লেভান্তের ইতিহাসে রেকর্ড মূল্যে রিয়ালে যোগ দেওয়া ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার এস্পি মূলত মরিনিওর ‘প্ল্যান বি’ হিসেবে বিবেচিত। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মরিনিও বলেন, ‘এস্পি দারুণ উদ্দীপনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল। তবে ম্যাচটি ২-০ থেকে ২-২ হয়ে যাওয়া নিয়ে আমার উদ্বেগ আছে। আমরা বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ করতে ব্যর্থ হচ্ছি, যা সহজ জয়কে অনিশ্চিত করে তুলছে।’
এলচের মাঠে এই জয়ে লা লিগায় ৬ ম্যাচে পঞ্চম জয় নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে অবস্থান করছে। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে হান্সি ফ্লিকের বার্সেলোনা। অবনমন অঞ্চলে থাকা দলের বিপক্ষে জয় পেলেও রক্ষণভাগের দুর্বলতা ও লিড ধরে রাখতে না পারার বিষয়ে কোচ মরিনিও বেশ চিন্তিত।
তবে লা লিগায় দুর্বল দলের বিপক্ষে মরিনিওর অজেয় যাত্রা অব্যাহত আছে। রিয়ালের প্রথম একাদশে এখনো জায়গা না পেলেও শেষ মুহূর্তের সুপার সাব হিসেবে নিজের কার্যকারিতা বারবার প্রমাণ করছেন এস্পি। আড়াই কোটি ইউরো খরচ করে কেনা এই তরুণ ফরোয়ার্ড রিয়ালের কোচিং স্টাফদের আস্থার প্রতিদান দিয়ে চলেছেন নিয়মিত বিরতিতেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে রাতের জায়গায় হবে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত আর মারের জায়গায় গোল, এতটুকুই যা পার্থক্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রিয়াল মাদ্রিদও টের পাচ্ছে, এস্পিকে কিনতে তাদের আড়াই কোটি ইউরো তাহলে জলে যায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত জুলাইয়ে লেভান্তের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়ে রিয়ালে যোগ দেন এস্পি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থাৎ নিয়মিত খেলোয়াড়দের দিয়ে গোল আদায় করতে না পারলে তখন এস্পিকে ব্যবহার করবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর এস্পিও যেন বাংলাদেশ পুলিশের বড় কর্মকর্তার সেই পদের মতো দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু ৭১ ও ৮৩ মিনিটে ২টি গোল হজম করে পয়েন্ট ভাগের শঙ্কায় ছিল রিয়াল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফল হাতেনাতে পেয়েছেন ঠিক চার মিনিট পরই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে লিগ যেহেতু কেবল শুরু হলো, তাই আন্দাজ করে নেওয়াই যায়, চলতি মৌসুমে এস্পির শেষ মুহূর্তের ‘মার’ আরও দেখা যাবে।