1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আইএইচএফ ট্রফিতে অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে ভারতের সঙ্গে লড়াই করে হারল বাংলাদেশ শিক্ষক মিলনায়তনে ‘থাপ্পড়-যুদ্ধ’! নোয়াখালীর কবিরহাট সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ-শিক্ষকের হাতাহাতির ভিডিও ভাইরাল রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে জেলা কমিটি গঠন, প্রজ্ঞাপন জারি নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পর্দায় ফুটবল বিশ্বকাপ  সিরাজদিখানে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে মুখর মহম্মদপুর ক্ষমতার পালাবদলে নাম বদলে গেছে সিলেট চন্ডীপুল গোলচত্বর সহ অন্যান্য স্থাপনার ঝিনাইদহে শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল নড়াইলে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী  শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রয়েছে : এরশাদ উল্লাহ

ঝিনাইদহে শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

জেলার বিভিন্ন এলাকায় গত সপ্তাহজুড়ে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাতের প্রভাব পড়েনি শাক-সবজির বাজারে। জেলার অধিকাংশ বাজারে শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। জেলা শহর ও উপজেলার শহরের বাজারগুলোতেও শাক-সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তা পর্যায়ে।

সরেজমিনে সদর উপজেলার বৃহত্তর হলিধানী কাঁচাবাজার ঘুরে জানা গেছে, পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ, পটল, বেগুন ও ঢ্যাঁড়সসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম গত সপ্তাহের মতো স্থিতিশীল রয়েছে। বরং পটল, কচুর লতি, শসা ও মিষ্টি কুমড়ার দাম কিছুটা কমেছে।

হলিধানী বাজার ছাড়াও জেলার অন্যান্য বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সব ধরনের সবজির দাম স্বাভাবিক রয়েছে। পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে প্রতিটি শাক-সবজি কেজি প্রতি ৩ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামের তারতম্যকে স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে জেলা ও উপজেলার শহরতলীর বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পটল ৩১-৩৫ টাকা, বেগুন ৪৫-৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪৫-৫৫ টাকা, পেঁয়াজ (দেশি) ৪০-৪৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক প্রতি আটি ১৫-২০ টাকা, করোলা (উঁচ্ছে) ৪০-৪৫ টাকা, ঝিঁঙে ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচাকলা প্রতি কেজি ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে গত সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের আগেও এসব সবজির দাম শহরের বাজারগুলোতে একই রকম ছিল।

সদর উপজেলার হলিধানী বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা হযরত আলী বলেন, বৃষ্টি হলেও আড়ৎ ও পাইকারি বাজারে সবজির আমদানি বেশি। যে কারণে বৃষ্টিপাত হলেও সবজির দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বৃষ্টিপাত ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকলে সবজির দাম সামনে বাড়তে পারে।

সবুজ হোসেন নামে এক সবজি ব্যবসায়ী বলেন, সবজির দাম ভোক্তাদের নাগালে রয়েছে। অন্যান্য বছর এই সময়ে (মে-জুন মাস) সবজির দাম চড়া থাকে। এ বছর এখনও দাম বাড়েনি।

লিয়াকত হোসেন লস্কর নামে ক্রেতা বলেন, শাক সবজির দাম বেশ কম। আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় শহরের বাইরে সবজি কেনাকাটা করেছি। দাম নাগালেই আছে।

ঝিনাইদহ শহরের ওয়াপদা গেট বাজারের সবজি ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, শহরের বাজারে সব সবজির দাম কেজিতে ১০/১৫ টাকা বেশি। প্রান্তিক বাজার ও শহরের বাজারের সবজির এই দামের পার্থক্য নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। বাজার মনিটরিং করা হলে ভোক্তারা আরও উপকৃত হবে।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের বাসসকে বলেন, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং অব্যাহত রেখেছি। কাঁচামালের বাজার সব সময় উঠানামা করে। এখন পর্যন্ত শাক সবজির দাম ভোক্তাদের নাগালেই রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun