1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার: এক নজরে সব অর্জন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ: নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি রংপুরের মাছুয়াপাড়ার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত ও ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন জামালপুরে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ১৫ নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা শত শত শ্রমিক, উদ্ধার অভিযানে চ্যালেঞ্জ পাবনা জেলা জাসাস আহ্বায়কের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ বিএনপির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন লিওনেল মেসি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিরসনে একমত কাতার ও তুরস্ক, জোরদার হচ্ছে কূটনৈতিক তৎপরতা ব্যান্ডউইথ সংকট মোকাবিলায় নতুন সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল অনুমোদন: মূল বেতন বাড়বে তিন ধাপে

রংপুরের মাছুয়াপাড়ার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত ও ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রংপুরের মাছুয়াপাড়ার দাসপাড়ায় গত ২১শে আগস্ট অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী নিহতের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশের একের পর এক স্ববিরোধী বক্তব্য এবং তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে সচেতন মহলে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক সরকারি সংস্থার তদন্তেও পুলিশের দায় ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ঘাটতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২১শে আগস্ট ভোরে, যখন রংপুর জিলা স্কুলের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫) এবং তার পরিবারের সদস্যদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় স্বজনরা পুলিশকে খবর দেন। ২২শে আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা দরজা ভেঙে চারজনের পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করে। এর মধ্যে ছোট ছেলে প্রিয়মের মরদেহ শোয়ার ঘরের খাটের নিচ থেকে পাওয়া যায়।

পুলিশ ২৩শে আগস্ট গভীর রাতে মাছুয়াপাড়ায় অভিযান চালিয়ে মুগ্ধ দাস (২৩) ও তার মামাতো ভাই সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) আটক করে। পরদিন তৎকালীন পুলিশ কমিশনার ডিআইজি আবদুল মাবুদ সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বারবার বক্তব্য পরিবর্তনের ফলে তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা সংকটে পড়েছে। প্রথমদিকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডটি গভীর রাতে হয়েছে বলে জানালেও, পরে আসামিদের জবানবন্দিতে ভোরের আলো ফোটার সময়ের কথা বলা হয়। আবার ২৭শে আগস্ট কমিশনার তার আগের বক্তব্য পরিবর্তন করে দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডটি দিনের আলোয় ছাদে ঘটেছে।

তদন্ত নিয়ে বিতর্কের অন্যতম কারণ হলো পুলিশের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ। মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিশ দাবি করলেও, ফরেনসিক রিপোর্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণের আগেই তারা একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য দাঁড় করিয়েছিল। এছাড়া, আসামিদের মাদকাসক্তির মাত্রা পরীক্ষা বা অন্যান্য ফরেনসিক প্রমাণের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও কেবল ১৬৪ ধারার জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে তদন্ত শেষ করার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই এমন দুই তরুণ কীভাবে কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই নিখুঁতভাবে চারজনকে খুন করলো, তা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ডোমের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়, যদিও ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এছাড়া, ছাদের আলামত ধুয়ে ফেলার অভিযোগও উঠেছে। ২৬শে আগস্ট রাতে পুলিশ পাহারায় থাকা অবস্থায় বাড়ির পানির মোটর চালু হয়ে ছাদ ও সিঁড়ি ধুয়ে যাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়। পুলিশ অবশ্য একে ভুলবশত সুইচ অন হওয়ার ঘটনা বলে দাবি করেছে।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় ২৯শে আগস্ট সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে সিদ্ধার্থের পরিবারের সদস্যদের আটক করা হয় এবং পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলন, কমিশনারের আবেগপ্রবণ আচরণ এবং মামলার মোড় বারবার পরিবর্তন সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের পেশাদারিত্ব নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে। এখন পর্যন্ত পুলিশ ও সিআইডি তাদের তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তবে পুলিশের এই অসংলগ্ন অবস্থান পুরো ঘটনাটিকে রহস্যের আবর্তে আটকে রেখেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনার পর দ্রুতই অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী ঘটনা ও এর বিস্তারিত পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার সম্ভাব্য সময়: তদন্ত সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১শে আগস্ট ভোরে রংপুর জিলা স্কুলের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রিয়ম। 65, 50, 25, 12. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাড়িটি ছিল তালাবদ্ধ এবং ভেতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর গণপতির স্বজনরা পুলিশে খবর দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে ঘটনার পর্যায়ক্রম ও ব্যাখ্যাসহ এর সঙ্গে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যম, সংখ্যালঘু সমপ্রদায়সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পুলিশের বক্তব্যের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কিনা: নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে গত ২৩শে আগস্ট রংপুর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun