1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: ববি হাজ্জাজ ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে নতুন ঘর পেলেন দুই হাত হারানো নূরুল আমিন নারায়ণগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জিয়াউর রহমানের কর্ম ও আদর্শ নিয়ে উঁচুমানের গবেষণার আহ্বান মির্জা ফখরুলের গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে হাম রোগীদের চিকিৎসায় আইসিইউ সেবা চালু ঢাকার খালগুলোর সীমানা চিহ্নিত করতে পৃথক দুটি কমিটি গঠন স্থানীয় সরকার বিভাগের সাতক্ষীরায় পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু  ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাইরে শান্তিচুক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ: গণমাধ্যম অস্ট্রেলিয়া-স্কটল্যান্ডের জয়; ড্র করল সুইজারল্যান্ড-কাতার

কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

ঈদুল আজহার ঠিক আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গবাদিপশু জবাইয়ের ওপর যে নতুন কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে, তার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি মহুয়া মৈত্রসহ কয়েকজন।

বুধবার (২০ মে) আদালতে নিজে উপস্থিত হয়ে মামলার পক্ষে প্রশ্ন করেন মহুয়া। মামলাকারীদের অভিযোগ, এই নিয়মের কারণে গ্রামীণ অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে এবং ধর্মীয় রীতিনীতিতেও হস্তক্ষেপ হবে। ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীন ১৩ মে জারি করা রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর ও মহিষ জবাইয়ের আগে অবশ্যই পশুর ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। শুধুমাত্র ১৪ বছরের বেশি বয়সী অথবা বার্ধক্যজনিত কারণে অথবা স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা অসারোগ্য রোগে আক্রান্ত পশুই জবাই করা যাবে। পশু চিকিৎসকের পরীক্ষার পরই এই সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।

আদালতে মহুয়া মৈত্র ও অন্য আবেদনকারীরা জানান, এই কঠোর নিয়ম কোরবানির ধর্মীয় প্রথায় হস্তক্ষেপ করছে এবং গবাদিপশু পালন ও বেচাকেনার ওপর নির্ভরশীল গ্রামের গরিব মানুষের জীবিকায় বড় আঘাত হানবে। মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনা হলেও বুধবার শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। কারণ, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে আবেদনপত্রের কপি পাঠানো হয়নি। আদালত বৃহস্পতিবার সকালে এটিকে প্রথম মামলা হিসেবে শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন।

মহুয়ার বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ

এদিকে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। নদিয়ার করিমপুর থানায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অভিযোগে মামলা করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গোলক বিশ্বাস।

মহুয়া সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, এই নিয়ন্ত্রণের ফলে সব ধর্মের গরিব মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। গরুর হাটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং বেচাকেনা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে টার্গেট করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি নির্দেশিকায় কোনো সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তারপরও মহুয়া সাম্প্রদায়িক বিভেদ তৈরির চেষ্টা করেছেন।

মহুয়া আরও বলেন, বিজেপি শাসনে গরুর মাংস রপ্তানি বেড়েছে এবং বিদেশি মুদ্রা আয় হয়েছে। একইসঙ্গে অ্যালানা গ্রুপের মতো করপোরেট সংস্থা বিজেপিকে অনুদান দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, গরিব মানুষের জীবিকায় লাথি মেরে কী প্রমাণ করতে চাইছে বিজেপি?

আদালতের পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার সকালে হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun