মঙ্গলবার (২৬ মে) হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে ট্রলি, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ ভিড় করেছে বহু অবৈধ অভিবাসী। অনেকে বিছানা পেতে শুয়ে-বসে রয়েছে। অপেক্ষায় রয়েছে কখন বিএসএফের ডাক আসবে সীমান্ত পার হওয়ার। গতকালও ১০০-এর মতো ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ সীমান্ত চেকপোস্টের ছাউনিতে একত্র হয়েছিল। ছাউনির বাইরে অপেক্ষা করছিল আরো ৩০-৪০ জন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার বদল হতেই অনুপ্রবেশকারীরা নিজ দেশে ফিরতে তোড়জোড় শুরু করেছে। গতকাল রাজ্যের দুই জেলায় ১২ অনুপ্রবেশকারীকে হোল্ডিং সেন্টারে আটক করে রাখা হয়। ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ আটকের খবরে আতঙ্কিত হয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাটে হাকিমপুর সীমান্তে বিএসএফ চেকপোস্টের কাছে ভিড় জমাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। সম্প্রতি অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে আটকদের রাখার জন্য সব জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের নতুন সরকার। এই ঘোষণা আসার পরেই বাংলাদেশে ফেরার জন্য ব্যস্ততা শুরু হয়েছে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে। সম্প্রতি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের নতুন সরকার। ওই ঘোষণা হতেই এবার ফের বাংলাদেশে ফেরার জন্য অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। গেল বছরের অক্টোবরের শেষে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) সময় হাকিমপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের এই ভিড়ের দৃশ্য দেখা গিয়েছিল। উত্তর চব্বিশ পরগনার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ওই সময়ে প্রতিদিন অনেক অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছে।