1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এনসিপির নেতাদের কে কোথায় ঈদ করছেন ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করলেও ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠবে না: ট্রাম্প ঢাকায় কোথায় কখন ঈদের জামাত ‘হেগসেথ যুদ্ধ ভালোবাসেন’, ক্যাবিনেট বৈঠকে ট্রাম্পের রসিকতা হরমুজ প্রণালি কেউ নিয়ন্ত্রণ করবে না, ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের ‘সব দুর্নীতি প্রশ্রয় দিয়েছেন মমতা’, তৃণমূলের সাবেক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সতর্কতামূলক মাইকিং সবাইকেই ধোঁকা দিয়েছেন ইউনূস? কারাগারে বিষন্নতায় ৪র্থ ঈদ আনিসুল-পলকদের, মিলবে পোলাও-রোস্ট হজে গিয়ে ‘আইকনিক স্টাইলে’ শয়তানকে পাথর ছুড়লেন ওয়াসিম আকরাম

‘সব দুর্নীতি প্রশ্রয় দিয়েছেন মমতা’, তৃণমূলের সাবেক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের অভাবনীয় পরাজয়ের পর দলের ভেতরেই শুরু হয়েছে তীব্র আত্মসমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ। এবার সেই সমালোচনায় যোগ দিয়ে সরাসরি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এক বিস্ফোরক আক্রমণ শানিয়েছেন দলটির সাবেক মন্ত্রী ও একসময়ের দাপুটে নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

তৃণমূল নেত্রীর এককালীন এই অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সংকটমোচনকারী নেতা এক সাক্ষাৎকারে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের চরম ব্যর্থতা ও ত্রুটিগুলো জনসমক্ষে নিয়ে এসেছেন।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় অভিযোগ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের ভেতরের সমস্ত দুর্নীতিকে ক্রমাগত প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে দলের এই ভরাডুবির জন্য মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়—উভয়েই সমানভাবে দায়ী। সাবেক এই তৃণমূল মহাসচিবের মতে, দল এখন সম্পূর্ণভাবে সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং নির্বাচনের এই শোচনীয় ফলাফলের পরও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জনগণের রায়কে সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক ধরন নিয়ে এক দীর্ঘ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে জোরপূর্বক বদলে ফেলার চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচারণার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে তিনি যেভাবে ব্যক্তিগত ও কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ চালিয়েছিলেন, তা বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে একেবারেই খাপ খায় না। এটি অত্যন্ত মানহানিকর ও আপত্তিকর হওয়া সত্ত্বেও দলনেত্রী বা দলের অন্য কেউ তাকে থামানোর কোনো চেষ্টা করেনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে ইঙ্গিত করে পার্থ চট্টোপাধ্যায় আরও যোগ করেন, কোনো রাজনৈতিক দল কারও ব্যক্তিগত গ্রুমিং বা নেতা তৈরির পাঠশালা হতে পারে না। কেউ একদিনে হুট করে নেতা হয়ে উঠতে পারেন না। প্রকৃত নেতা হতে গেলে তাকে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসতে হয় এবং জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হয়। 

২০১১ সালে অভিষেককে যুব তৃণমূলের সভাপতি করার পর ২০২১ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা করার যে দ্রুত রাজনৈতিক উত্থান, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক পুরোনো ও বিশ্বস্ত সহযোগীদের ক্ষুব্ধ ও দলবিমুখ করেছিল। যার ফলস্বরূপ ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে বহু বর্ষীয়ান নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সেবার তৃণমূল বড় জয় পাওয়ায় অনেকেই ফিরে এলেও, ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক পরাজয় তৃণমূলের অন্দরে পুনরায় বড়সড় ভাঙনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun