1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডিজিটাল সুরক্ষা ও বাজার প্রতিযোগিতা নিশ্চিতে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন কাতারের দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন হামলায় ইরানের তিন পাইলট নিহত: তেহরানের দাবি সিরাজগঞ্জ আদালতে হাজতখানা থেকে লাফিয়ে পালানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ওয়াসিম আকরামের শিষ্য ইরফান পাঠান এখন পাকিস্তানকে নিয়ে কেন এত সরব? ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ: গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে ১ হাজারে নামাল ১১ দলীয় ঐক্য যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিভ্রান্তি: যা জানা জরুরি সেপ্টেম্বর ২০২৬: কাতারে কনসার্ট, খেলাধুলা ও বর্ণিল উৎসবের জোয়ার সরকারি কর্ম কমিশনের নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

দিল্লিতে অগ্নিকাণ্ড, এক বাংলাদেশির মৃত্যু আত্মীয়কে কিডনি দিতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ, আইসিইউতে দাতা 

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গত বুধবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই বিদেশি নাগরিক। মৃতদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া রোববার (৭ জুন) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৪২ বছর বয়সী মোশাররফ হোসেন কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য দিল্লি গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রেহানা এবং আত্মীয় মোহাম্মদ নুরুল আমিন।

দিল্লির একটি হাসপাতালে তার কিডনি প্রতিস্থাপনের কথা ছিল। এ জন্য তার এক নারী আত্মীয় কিডনি দান করতে রাজি হন এবং মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা থেকে দিল্লি যান। তবে অস্ত্রোপচারের আগেই তারা সবাই দিল্লির ওই হোটেলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হন। এতে মোশাররফসহ পরিবারের সদস্যরা আহত হন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ওই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন মোশাররফের আত্মীয় মোহাম্মদ নুরুল আমিন। আর মোশাররফের জীবন বাঁচাতে কিডনি দান করতে যাওয়া সেই নারী গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে দিল্লি যাওয়া এই নারী এখন নিজেই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়ছেন।

মোহাম্মদ রবিউল নামে মোশারফের এক আত্মীয় সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, ‘গত বুধবার (অগ্নিকাণ্ডের দিন) সকালে হাসপাতালে যাওয়ার আগে, তারা সবাই হাউজ রানি বেডে সকালের খাবার খাচ্ছিলেন। ওই সময় আগুন লেগে যায়। আগুনে নুরুল আমিন মারা গেছেন। যিনি কিডনি দিতে গিয়েছিলেন তিনি, তার মেয়ে ও রেহানা দগ্ধ হয়ে এখন আইসিইউতে আছেন। মোশারফ হোসেনও (রোগী) আহত হয়েছেন। কিন্তু অন্যদের অবস্থা তার চেয়ে ভালো। আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া নুরুল আমিনের স্ত্রী ও তিন সন্তান আছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun