1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাকেও লোডশেডিংমুক্ত রাখার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননের তায়র জেলার মাজদাল জাউন শহরে বুধবার (২৫ আগস্ট) ভোরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তির পরিস্থিতির মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের সামরিক অভিযান মূলত হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও কার্যক্রমকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে। ইসরায়েলের অভিযোগ, হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা এবং সীমান্তবর্তী বিভিন্ন কার্যক্রম তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। এর বিপরীতে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে।

এই ধারাবাহিক সংঘাতের ফলে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি বর্তমানে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ লেবাননে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরায়েলের ধীরে ধীরে দখলকৃত এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কথা এবং একই সঙ্গে ওই এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নতুন করে চালানো এই বিমান হামলার ঘটনায় চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি এবং হিজবুল্লাহর কার্যক্রমের কারণে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। যেকোনো নতুন সামরিক অভিযান চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, যা চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার ও শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

হামলার পর লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে শান্তি বজায় রাখা এবং চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun