1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফৌজদারহাটে জলিল টেক্সটাইলের জমিতে সমরাস্ত্র কারখানা: পাওনা নিয়ে শ্রমিকদের তীব্র বিক্ষোভ জুলিয়ান আলভারেজকে নিয়ে বার্সার সঙ্গে কোনো আলোচনাই করবে না অ্যাতলেতিকো ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মী নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনের স্বীকারোক্তি পুলিশ বাহিনীতে বড় নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবলসহ মোট ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নেওয়া হবে দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কড়াকড়ি ও শর্তাবলি জারি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় চোখের সামনে পরিবার হারালেন ব্যবসায়ী বিলুপ্তির পথে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি শিল্প অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের জয় সতর্কবার্তা, ২৭ বছর আগের প্রস্তাব মনে করালেন স্টিভ ওয়াহ

দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননের তায়র জেলার মাজদাল জাউন শহরে বুধবার (২৫ আগস্ট) ভোরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ও চুক্তির পরিস্থিতির মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো অঞ্চলটিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের এই সামরিক অভিযান মূলত হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও কার্যক্রমকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা এবং সীমান্তবর্তী বিভিন্ন কার্যক্রম ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। পাল্টা জবাবে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।

এই ধারাবাহিক সংঘাতের ফলে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ লেবাননে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরায়েলের দখলকৃত এলাকা থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার এবং ওই অঞ্চলে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার বিষয়টিও এই চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তবে নতুন করে এই বিমান হামলার ঘটনায় চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননে যেকোনো নতুন সামরিক অভিযান চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দিতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি এবং হিজবুল্লাহর পাল্টা কার্যক্রমের কারণে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে। এখন পর্যন্ত লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার, লেবাননের সেনা মোতায়েন এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাস্তবায়ন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়মিত হামলা ও পাল্টা হামলার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে আস্থার সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun